৫০০ মানুষ মিলে কক্সবাজার সৈকতের বর্জ্য সরালেন

পাঁচ শতাধিক পরিবেশকর্মী নিয়ে সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসা বর্জ্য অপসারণে মাঠে নেমেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির উদ্যোগে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় সম্মিলিত বিচ পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু হয়।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টায় সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

এসময় তিনি বলেন, আমাদের প্রাণের সৈকতের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে সকলে কাজ করে যেতে হবে। যারা এই কাজে এগিয়ে এসেছেন, তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

জেলা প্রশাসক বলেন, এই ক্লিনিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সৈকতের নাজিরারটেক পয়েন্ট থেকে হিমছড়ি পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পড়ে থাকা এই বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

৫০০ মানুষ মিলে কক্সবাজার সৈকতের বর্জ্য সরালেন 1

এতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আশরাফুল আফসার, কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুল হুদা, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) ইমরান জাহিদ, সিনিয়র সাংবাদিক সরওয়ার আজম মানিক, এনভায়রনমেন্ট পিপল’র প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ, ইয়েসের প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট ফোরামের সমন্বয়ক এইচএম নজরুল ইসলাম, দরিয়ানগর গ্রিন বয়েজের সমন্বয়ক পারভেজ মোশারফ প্রমুখ।

সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সমন্বয়ক এইচএম নজরুল ইসলাম জানান, নাজিরারটেক থেকে হিমছড়ি পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকার বর্জ্য অপসারণ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। যা বাকি রয়েছে তা পরবর্তীতে লোক দিয়ে করানো হবে।

তিনি বলেন, শুধু বর্জ্য অপসারণ নয়, এসময় মৃত কাছিম মাটিতে পুঁতে ফেলা, জীবিত কাছিমকে সাগরে অবমুক্ত করার কাজ করেছে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবেশ কর্মী।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বর্জ্য অপসারণ কাজে অংশগ্রহণ করে এখানকার ১১টি পরিবেশ সংগঠন। এগুলো হল-এনভায়রনমেন্ট পিপল, ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস), কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলন, টিম কক্সবাজার, কক্সিয়ান এক্সপ্রেস, দরিয়ানগর গ্রীণ ভয়েস, প্লাস্টিক ব্যাংক বাংলাদেশ, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, উইকেন, তারুণ্যের প্রতিবাদ ও পরিবেশ বিক্ষণ।

এসএ

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!