রুম ভাড়া আধ ঘন্টায় ৫’শ টাকা!

0

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া: প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরশহরে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল অসমাজিক কার্যকলাপ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হলেও কথা রাখেনি আবাসিক হোটেলের মালিক-পরিচালকরা। তারা মোটা অংশ আয় করতে মরিয়া। দিবারাত খন্ডকালিন হোটেলের রুম ভাড়া দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ চালাচ্ছে। এতে বিপথগামী হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ তরুণ যুব সমাজ। মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে দুটি হোটেল থেকে হোটেলের ম্যানেজারসহ ২২জন নারী-পুরুষ আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা দেয়া হয়েছে।

একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানায়, পৌরশহরের আবাসিক হোটেলগুলোতে বোর্ডার সংকট থাকায় কর্মচারীদের বেতন চালাতেই হিমশিম খাচ্ছে মালিকরা। ফলে, অধিকাংশ হোটেল মালিক পরিচালক নিয়োগ করে প্রতি আধঘন্টার জন্য ৫’শ টাকা নিয়ে রুম ভাড়া দিচ্ছে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নারী-পুরুষদের। তাদের নাম-পরিচয় রেকর্ড রাখারও ঘরজ করছেনা হোটেল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার বিকালে পৌরশহরের বাঁশঘাঠ সড়কের চৌধুরী হোটেল থেকে অভিসারকালে ১৪ জন নারী-পুরুষ আটক হয় পুলিশের কাছে। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে পৌরশহরের রওশন মার্কেটস্থ হোটেল ডি-ফোর নামের একটি আবাসিক হোটেল থেকে ম্যানেজার ও হোটেল বয়সহ ৮ নারী-পুরুষকে আটক করে।
এদিন সন্ধ্যায় এদের মধ্যে হোটেল ডি-ফোরের ম্যানেজার রমিজ উদ্দিন ও পরিচ্ছন্ন কর্মচারীকে ১৫দিন করে কারাদন্ডাদেশ এবং তিন ভাসমান পতিতা ও তিনজন খদ্দেরকে নিজেদের দোষ স্বীকার করায় ২’শ টাকা করে অর্থদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত।
পৌরশহরের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আবাসিক হোটেলগুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপ অব্যাহত থাকায় আমাদের সম্মান নিয়ে টানাটানি হচ্ছে। এই অপকর্ম বন্ধ করতে প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়েছেন তারা।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, পৌরশহরের শৃঙ্খলা পরিচ্ছন্নতা ঠিক রাখার পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। ছাড় দেয়া হবেনা কাউকেই।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন