আক্রান্ত
১৮২৬৯
সুস্থ
১৪৫২৪
মৃত্যু
২৮৪

সেপ্টেম্বরেও হচ্ছে না এইচএসসি পরীক্ষা, করোনা কমলেই সিদ্ধান্ত

0

করোনার কারণে থমকে থাকা উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে সেটি এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। করোনার তাণ্ডব কমলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই আয়োজন করা হবে পরীক্ষা।

এরই মাঝে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয় যে, আগামী মাস অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। কিন্তু বুধবার (১২ আগস্ট) খবরটি সত্য নয় বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সাব কমিটি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক। তিনি জানান, সেপ্টেম্বর মাসে নয়, করোনা কমলে তারপর আয়োজন করা হবে পরীক্ষা।

মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে এখন আমরা তেমন ভাবছিও না। আমাদের পুরোটা মনোযোগ এখন একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে। এইচএসসি আয়োজনের জন্য কিছু রোডম্যাপ করা আছে। করোনা কমে যাওয়ার আগে সেটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। করোনা সংক্রমণ যদি কমে যায়, তাহলে পনের দিনের মধ্যে আমার পরীক্ষা আয়োজন করব।’

সেপ্টেম্বর মাসে পরীক্ষা হওয়ার খবর বিষয়ে বোর্ড প্রধান বলেন, ‘এটি পুরোপুরি ভুল খবর। সেম্টেম্বরে পরীক্ষা হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। সংবাদ প্রকাশের আগে উৎস যাচাই করে নেওয়া জরুরি। আমি যেহেতু বোর্ড প্রধান আমাকেও জিজ্ঞেস করে নেওয়া যেত। এর কোনোটাই না করে খবর প্রকাশ করা হয়েছে। এই খবর পরীক্ষার্থীদের বিচলিত করেছে এবং মানসিক পীড়ার কারণ হয়েছে।’

এদিকে এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোন সংবাদ বা গুজব আমলে না নেওয়ার জন্যও অনুরোধ করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও। তারা বলছে, ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে সবকিছু বিশ্লেষণ করেই পরীক্ষা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত যথা সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানিয়েও দেওয়া হবে।’

চলতি বছরের ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে এ পরীক্ষাসূচি স্থগিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রায় ১২ লাখ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পরে।

এমএহক

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন

সাধারণ ফ্লু থেকে করোনাকে আলাদা করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ

শীতে শুরু করোনা এই শীতেই থাবা বসাতে পারে ফের, চিন্তায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

ksrm