চট্টগ্রামের ৪ পয়েন্টে ইলিশ ধরায় লাগাম বুধবার থেকে

0

মা-ইলিশের নিধনরোধে আগামী ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ প্রজনন এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। এ সময় ইলিশের প্রজননক্ষেত্রের চারটি পয়েন্ট দ্বারা পরিবেষ্টিত ৭ হাজার বর্গকিলোমিটার উপকূলীয় এলাকার সব নদনদীতে এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে প্রতি বছরের মতো এবারও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইলিশের প্রজননক্ষেত্রের চারটি পয়েন্ট হলো চট্টগ্রামের মিরসরাই ও মায়ানি, কুতুবদিয়া ও কক্সবাজারের উত্তর কুতুবদিয়া, তজুমুদ্দিন ও ভোলার পশ্চিম সৈয়দ আওলিয়া এবং পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও লতা চাপালী পয়েন্ট। আইন অনুযায়ী সারাদেশে ইলিশ মাছের আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ এবং কেনা-বেচা নিষিদ্ধ থাকবে।

রোববার (৬ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে ‘মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০১৯’ উপলক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছরই এই সময় জেলেদের নানা ধরনের প্রণোদনা দিয়ে আসছে সরকার। জাটকা নিধন বন্ধ হওয়ায় দেশে প্রতি বছরই ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। গত কয়েক বছর ধরেই ইলিশের উৎপাদন প্রায় ৫ লাখ টনের আশেপাশে থাকছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে গত ১০ বছরে দেশে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৭৮ শতাংশ।

প্রতি বছর আশ্বিন মাসের প্রথম উদিত চাঁদের পূর্ণিমার আগের চার দিন, পরের ১৭ দিন এবং পূর্ণিমার দিনসহ মোট ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা ২০১৭ সাল থেকে জারি রয়েছে। তবে ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ১১ দিন এবং ২০১৫ সালে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ছিল ১৫ দিন। নিষেধাজ্ঞার আইন ভঙ্গ করলে আইনভঙ্গকারী কমপক্ষে ১ বছর থেকে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

এইচটি/সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন