অর্থনৈতিক বিশ্বমন্দার চাপ, ব্যবসা-বাণিজ্যে নানা চ্যালেঞ্জ। এর মধ্যেই মাত্র পাঁচ বছরে ১৮টি আউটলেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছে দেশসেরা ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘এলিট লাইফ স্টাইল’। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম নগরের বন্দরটিলায় প্রতিষ্ঠানটির ১৮তম আউটলেটের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এ মাইলফলক স্পর্শ করে ব্র্যান্ডটি।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর সবুজ এবং প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার শিল্পোদ্যোক্তা মুহাম্মদ মামুন চৌধুরী ফিতা কেটে নতুন আউটলেটটির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গ্লোবাল ইয়াং ইনভেস্টরস ফোরামের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট শওকত বাঙালি, পিএইচএফ। আর্ট ও এলিট লাইফ স্টাইল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মামুন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক সাংবাদিক আহমেদ কুতুব, সাংবাদিক-চিত্রশিল্পী আজিজুল কদির, সাংবাদিক পার্থ প্রতীম নন্দী, কনকর্ড গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিশ্বজিত ঘোষ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে থার্ড আই রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সিইও এবং বিশেষায়িত জার্নাল ‘ফলোআপ’-এর এডিটর-ইন-চিফ, লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার সময়েও এলিটের ১৮টি আউটলেট এবং আরও নতুন আউটলেট খোলার পরিকল্পনা আশাব্যঞ্জক। তাঁর মতে, ব্র্যান্ডটির অগ্রযাত্রার মূল শক্তি সততা ও ক্রেতাবান্ধব নীতি।
শওকত বাঙালি বলেন, একই ফেব্রিক্সের পোশাক এলিট যেখানে ৯৯৯ টাকায় দিচ্ছে, অন্য ব্র্যান্ড সেটি কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করছে। মান বজায় রেখে কম দাম রাখার কারণেই এলিট আলাদা অবস্থান তৈরি করেছে। তাঁর বিশ্বাস, এই ব্র্যান্ড অচিরেই বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
উদ্বোধক আলমগীর সবুজ বলেন, দেশের বেশির ভাগ মানুষ নিম্ন ও মধ্য আয়ের। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে এলিট পোশাকের গুণগত মান ঠিক রেখে যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, সেটিকে ব্যবসার চেয়ে সেবা বলাই ভালো। দেশের অন্যান্য ব্র্যান্ডও এলিটের এই সেবামনোভাব অনুসরণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে এলিটের কর্ণধার মুহাম্মদ মামুন চৌধুরী বলেন, তাঁদের লক্ষ্য অতিরিক্ত মুনাফা করা নয়। ক্রেতার সাধ্যের কথা মাথায় রেখে সামান্য লাভে মানসম্মত পোশাক দিতে পারাতেই তাঁদের সন্তুষ্টি। ‘কম দাম মানেই কম মান নয়’, এলিট ইতোমধ্যে সেটি প্রমাণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এলিট ও আর্টের পরিচালক ও নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মাহফুজ চৌধুরী, চেয়ারম্যান কন্যা মৃত্তিকা এম. চৌধুরী ও সারলিন এম চৌধুরী, এজিএম মো. মামুনুর রশিদ ফয়সাল, অপারেশন্স ম্যানেজার আমানুর সাদী, সানম্যার আর্ট ম্যানেজার গিয়াস উদ্দিন টিংকু, এলিট-বন্দরটিলা ম্যানেজার মো. নাজিব উদ্দীন আরিফসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী।
নতুন বন্দরটিলা আউটলেটসহ এলিটের প্রতিটি আউটলেটে ৯৯ টাকা থেকে ৯৯৯ টাকার মধ্যে পাঞ্জাবি, প্যান্ট, শার্ট, পোলো টি-শার্টসহ ছেলেদের বিভিন্ন ফ্যাশন পোশাকের সমাহার রয়েছে।
সারাদেশে জনপ্রিয় এই ব্র্যান্ডের বিভিন্ন জেলা ও শহরে বর্তমানে ১৭টি আউটলেট কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বন্দরটিলা আউটলেট চালুর পর এলিট লাইফ স্টাইল লিমিটেডের মোট আউটলেটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮টিতে।




