৯৩৫ টন খেজুর ও এক হাজার টন সোডা অ্যাশ ধ্বংস করবে চট্টগ্রাম কাস্টমস

প্রথম দিনেই ১০ কন্টেইনার পণ্য মাটিচাপা

আমদানি করার পর মেয়াদ পেরোনো খেজুর, সোডা অ্যাশ ধ্বংস করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৩৪ কনটেইনারের খেজুর ছিল ৯৩৫ টন এবং ৪০ কন্টেইনারে সোডা অ্যাশ ছিল ১ হাজার ২ টন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে বিশাল গর্ত করে এসব পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

ধ্বংস করা পণ্যের মধ্যে আরও ছিল—মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইম স্টোন, বেনটোনাইট পাউডার, পচা কমলা, পেঁয়াজ, কেশোনাট, ফুড স্টাফসহ বিভিন্ন পণ্য।

কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নিম্নমানের, মেয়াদোত্তীর্ণ, ব্যবহার অনুপযোগী ১২৬ কনটেইনারে থাকা ৩ হাজার ২২৬ টন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। প্রথম দিন ১০ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ আগস্ট বন্দরের কাস্টমস অকশন শেডে রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দুই লটে পাঁচ কন্টেইনারে থাকা ‘রয়েল টাইগার এনার্জি ড্রিংক’ ও পারসোনাল কেয়ার প্রডাক্ট (শ্যাম্পু) ধ্বংস করা হয়েছিল।

জানা গেছে, আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নিলে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই পণ্য সরবরাহ না নিলে তা নিলামে তোলা যায়। নিলামে বিক্রি না হলে বা পণ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্যের হুমকি বিবেচনায় এসব পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ধ্বংসযোগ্য পণ্য বাছাই ও সিদ্ধান্তের জন্য সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি রয়েছে। বন্দরে পড়ে থাকা কন্টেইনার যদি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত হয়, তাহলে মাসের পর মাস বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রাখতে হয়।

অপরদিকে শিপিং এজেন্টের কন্টেইনার আটকা পড়ে বন্দরে। পণ্য ধ্বংসের পর খালি কন্টেইনার ফেরত পায় শিপিং এজেন্ট।

আইএমই/ডিজে

ksrm