৮ বছর পর ধরা ‘প্রতারক’ কর্মচারী, অর্ধকোটির মালামাল লুট

আট বছর আগে করা একটি প্রতারণার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে বাঁশখালী থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আন্দরকিল্লার মেসার্স জোবায়ের এন্টারপ্রাইজের চাকরিরত অবস্থায় নগদ টাকা ও গোডাউনে থাকা প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল কৌশলে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আমির কাথরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিক পাঠান এলাকার জেবল হোছাইনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক বলেন, ২০১৮ সালে দায়ের করা একটি প্রতারণার মামলায় আমির হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। তিনি এতদিন পলাতক ছিলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইতোমধ্যে আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, নগরীর আন্দরকিল্লায় মো. জোবায়েরের মালিকানাধীন ‘মেসার্স জোবায়ের এন্টারপ্রাইজ’-এ দীর্ঘ কয়েক বছর অফিস সহকারী হিসেবে কাজ করতেন আমির হোসেন। সে হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ব্যাংকিং লেনদেন ও গুদামের যাবতীয় হিসাবের দায়িত্ব ন্যস্ত ছিলো আমিরের উপর। আর সেই সুযোগে প্রতিষ্ঠানে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা ও গুদামে থাকা প্রতিষ্ঠানটির প্রায় সাড়ে ৪৪ লাখ টাকার মালামাল আত্মসাৎ করেন।

এ বিষয়ে মামলার বাদি ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. জোবায়ের বলেন, ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে আমির হোসেন ও তার সহযোগী জমির হোসেন সুকৌশলে আমার বাবার স্বাক্ষর জাল করে গুদাম থেকে প্রায় ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল এবং নগদ ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

জোবায়ের আরও বলেন, এরপর আসামিদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে হলেও তারা আমাকে হুমকি দিতে থাকে। পরবর্তীতে আমি ২০১৮ সালে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করি।

ksrm