৬ আগস্ট চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তাব

0

আসন্ন ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ইঞ্জিনিয়ারিং গুচ্ছ (চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট) ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ৬ আগস্ট প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিন প্রকৌশল সমন্বিত ভর্তি কমিটির সভাপতি ও কুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কেএম আজহারুল হাসান।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)— এই তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হবে ইঞ্জিনিয়ারিং গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা।

এবারের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার জন্য গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কেএম আজহারুল হাসান। সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ।

ড. আজহারুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে তিন প্রকৌশল সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার একটি তারিখ প্রস্তাবনা করা হয়েছে। ৬ আগস্টকে প্রাথমিক তারিখ ধরে প্রস্তাবনাটি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেটি অনুমোদন দিলে তারিখ চূড়ান্ত হবে।

এবার এ তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নেতৃত্ব দেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। তবে কেন্দ্রীয় এ কমিটির বাইরেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ কমিটি রয়েছে বলে জানা গেছে।

Yakub Group

চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন সভাপতি অধ্যাপক ড. কেএম আজহারুল হাসান আরও বলেন, পরবর্তী কার্যক্রম ও ভর্তি পরীক্ষার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিস্তারিত নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে।

এর আগে প্রথমবারের মত ২০২০-২১শিক্ষাবর্ষে চুয়েট-কুয়েট-রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্বে ছিলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(চুয়েট)। এতে সভাপতি ছিলেন চুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম। সদস্য সচিব ছিলেন চুয়েটের অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে গতবারের প্রকৌশল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শেষ করে ওই কমিটি।

গত বছর ৩ হাজার ২০১টি আসনের জন্য যোগ্য আবেদনকারীর মধ্য থেকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ের মোট নম্বরের ভিত্তিতে শীর্ষ ৩০ হাজার জনকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিলো।

আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছিল ২০১৭ অথবা ২০১৮ সালে মাধ্যমিক কিংবা সমমানে সর্বনিম্ন জিপিএ-৪ এবং উচ্চমাধ্যমিকে উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজিতে আলাদা আলাদাভাবে জিপিএ-৫ নিয়ে মোট গ্রেড-২০ থাকতে হবে।

সাধারণ প্রকৌশল বিভাগসহ এবং নগর ও পরিকল্পনা বিভাগ, অর্থাৎ গ্রুপ ‘ক’-তে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ৫০০ নম্বর। প্রকৌশলের পাশাপাশি স্থাপত্য বিভাগ নিয়ে গ্রুপ ‘খ’-তে ৭০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত চুয়েটে আসন ৯০১টি ও সংরক্ষিত ১১টি, কুয়েটে ১ হাজার ৬৫ ও সংরক্ষিত ৫টি এবং রুয়েটে ১ হাজার ২৩৫ ও সংরক্ষিত ৫টি আসন।

সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm