আক্রান্ত
২০৬৪০
সুস্থ
১৬২৯১
মৃত্যু
৩০১

৪ লাখ কেজি রঙিন পাথর পড়ে আছে চট্টগ্রাম বন্দরে, নেওয়ার লোক নেই

0

চার লাখ কেজি রঙিন পাথর বা ডাইঅপসাইড পড়ে আছে চট্টগ্রাম বন্দরে। এসব পাথর হাতের আংটি, ইমিটেশনের গহনা ও অলংকার তৈরিতে ব্যবহার হয়। প্রায় ৪০৫ টন ওজনের এসব পাথরে ভর্তি ১৫টি কনটেইনার দখল করে রেখেছে বন্দরের বড় একটি জায়গা। রঙিন এসব পাথরের কোনো দাবিদার নেই। নিলাম ডেকেও এসব পাথর কাউকে গছানো যাচ্ছে না।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিকেজি ডাইঅপসাইড বা রঙিন পাথরের মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪১ টাকা। এ হিসেবে বন্দরে পড়ে থাকা এসব পাথরের দাম দুই কোটি টাকারও বেশি।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ৪০৫ টন ওজনের এসব পাথরের আমদানিকারক কে— তার যেমন হদিস পাওয়া যায়নি, তেমনি এর কোনো সিএন্ডএফ এজেন্টের খোঁজও মেলেনি।

কাস্টমসের কাগজপত্র ঘেঁটে জানা যায়, চলতি বছরের শুরুর দিকে কাস্টমসের নিলাম শাখা পাথরগুলো নিলামে তোলে। কিন্তু কোনো বিডারের কাছ থেকে কোনো দরপত্রই পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মোহাম্মদ ফখরুল আলম বলেন, ‘ডাইঅপসাইড হচ্ছে এক ধরনের পাথর, যা বিভিন্ন অলংকারে ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু বন্দরে পড়ে থাকা ওই পাথর কী কাজে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে তা চট্টগ্রাম কাস্টমসের ইনভেন্ট্রিতে উল্লেখ নেই।’

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী আমদানিকারক এসএম শামীম আহমেদ বলেন, ‘এ ধরনের অনেক পণ্য বন্দরে পড়ে আছে বছরের পর বছর। কিন্তু অনেক ব্যবসায়ী এসব পণ্য ছাড় না নেওয়ায় সেগুলো নিলামে চলে যায়। আমদানিকারক বাজারমূল্য কম পাওয়ায় হয়ত খালাস করেনি।’

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার ডিসি মোহাম্মদ ফয়সাল বিন রহমান বলেন, এ বছরের শুরুতে ডাইঅপসাইডের একটি লট নিলামে তোলা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী নিলামে ওঠা যে কোনো পণ্য দেখে দরপত্র দাখিল করতে পারেন বিডাররা। কিন্তু ডাইঅপসাইডের ওই লটটিতে মাত্র ১ শতাংশ মূল্য পড়ায় আমরা খালাস দিতে পারিনি।

তিনি বলেন, ‘এগুলো দামি পাথর। অলংকারে ব্যবহার হয় পাথরগুলো।’

এএস/সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm