s alam cement
আক্রান্ত
৩৫১০৮
সুস্থ
৩২২৫০
মৃত্যু
৩৭১

৪০০০ কোটি টাকা মেরে দেওয়া রূপসা গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে দুদকে তলব

0

নানা প্রলোভনে রূপসা মাল্টিপারপাসের নাম দিয়ে গ্রাহকদের আমানতের টাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পরিচালকদের পকেটে। দ্বিগুণ লাভের লোভ দেখিয়ে ৩ লাখ সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। এমনই অভিযোগে রূপসা কিং গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর দফতরে তাদের তলব করা হয়।

তারা হলেন রূপসা কিং গ্রুপের চেয়ারম্যান লায়ন মো. মজিবুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মুছা হাওলাদার, প্রকল্প পরিচালক রাশেল হাওলাদার, পরিচালক জাকির হোসেন ও আবুল কালাম।

জানা গেছে, প্রায় ১৪ বছর ধরে মাল্টিপারপাসের আড়ালে গ্রাহকদের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে ব্যবসার পরিবর্তে নিজেরাই পকেটে ভরেছে এসব টাকা। যেসব গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে তাদের অধিকাংশই ইপিজেডের পোশাক শ্রমিক। ওই সমিতিতে রয়েছেন প্রায় ১৪ জন পরিচালক। কমবেশি ৩ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়।

এর আগে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে এই বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

Din Mohammed Convention Hall

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘মাল্টিপারপাসের আড়ালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সম্প্রতি অনুসন্ধানের নির্দেশ দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন। এর প্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে রূপসা মাল্টিপারপাসের চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে অবগত করে চিঠি দেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার তাদের তলব করা হয়েছে। এছাড়া দুদক থেকে তাদের সম্পদের তথ্য ও তালিকা চাওয়া হয়েছে। তারাও কিছু তথ্য দিয়েছে। সব কিছু যাচাই-বাচাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ১৪ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত হয় রূপসা কো-অপারেটিভ মাল্টিপারপাস সোসাইটি লিমিটেড। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি প্রয়াত ওবাইদুল্লাহ রুবেল নামের এক পরিচালকের পরিবারের পক্ষে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ‘রূপসা কিং গ্রুপ’ প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। ওইদিন ১৪ ঘন্টার অভিযানে সেখান থেকে নগদ ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান মুছা হাওলাদার, পরিচালক গোলাম ফয়সাল এবং প্রকল্প পরিচালক রাসেল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মুআ/এএইচ

ManaratResponsive

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm