৩০ লাখ টাকা কামিয়ে ইন্টার্ন ডাক্তার বের হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে!

দুই নেতার দ্বন্দ্বে ইন্টার্ন ডাক্তাররা বিভক্ত, ভুগবে সাধারণ রোগীরা

0

‘এখান থেকে বছর শেষে একটা গাড়ি নিয়ে বের হওয়া— এটা তো পুরো অলীক কথা। এটা কি সম্ভব? যদি সম্ভবই হতো, তাহলে আমার গাড়ি কই’— বিস্মিত নাছির গ্রুপের নেতা

চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজে (চমেক) বছরজুড়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির বিভেদ এবার ছড়ালো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও। এবারে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দুটি সংগঠন নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারীরা। এই হাসপাতালে এতদিন ধরে ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের (আইডিএ) ব্যানারে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারীরা। এবারে প্রথমবারের মত ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ (ইচিপ) আলাদা সংগঠন দাঁড় করালো শিক্ষা উপমন্ত্রীর অনুসারীরা।

যদিও শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, চমেকে তার কোনো গ্রুপ নেই, তবে নতুন করে চমেকে যাত্রা শুরু করা ইচিপ নেতারা বলছেন, শিক্ষা উপমন্ত্রীর ‘দিকনির্দেশনা’য় চমেকে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এক্ষেত্রে চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নেতৃত্ব নিয়ে এর বিরোধের কারণ হিসেবে শিক্ষা উপমন্ত্রীর অনুসারীরা আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারীদের মনোপলি অনিয়ম-দুর্নীতি রুখে দেওয়ার কথাকেই সামনে আনছে। অন্যদিকে আ জ ম নাছিরের অনুসারীরা বলছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জায়গা থেকে সংকট তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে এসব করছেন শিক্ষা উপমন্ত্রীর অনুসারীরা। তবে কারণ যাই হোক এই দ্বন্দ্বের কারণে চমেক হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় সংকট তৈরি হবে— এই কথা মেনে নিচ্ছেন বিবাদমান দুই পক্ষের নেতারাই।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) সকালে যাত্রা শুরু করে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর নওফেল অনুসারীদের সংগঠন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। ৩২ সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটিতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন ডা. কেএম তানভীর ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ডা. খোরশেদুল ইসলাম। ওইদিন রাতেই ডা. মিনহাজ আরমান লিখনকে সভাপতি এবং ডা. মোহাম্মদ শাকিলকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০২১-২০২২ মেয়াদের জন্য ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের (আইডিএ) কমিটি দেওয়া হয়।

গত প্রায় এক যুগ ধরে চমেকে ইন্টার্ন ডাক্তারদের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল এককভাবে আইডিএ। এটি আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারীদের দ্বারা পরিচালিত। দুই বছর আগে চমেক হাসপাতাল পরিচালনা পর্ষদে শিক্ষা উপমন্ত্রী সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে সেখানে ছাত্রলীগে মন্ত্রীর অনুসারীরা নতুন উদ্যমে যাত্রা শুরু করে। গত দুই বছর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ ঘটেছে দফায় দফায়।দুই বছরের মাথায় ইচিপ নামে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নতুন কমিটি করায় সেখানেও চমেকের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দুটো কমিটি হলো।

শুরু থেকেই নতুন সংগঠন দাঁড় করানোর পেছনে নাছির সমর্থক আইডিএর ‘বেপরোয়া চাঁদাবাজি’কে কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন নওফেল সমর্থক ইচিপের নেতারা। কেন চমেকে ইচিপ নামে আলাদা সংগঠনের প্রয়োজন হল— এমন প্রশ্নের জবাবেও একই কথা বললেন ইচিপের সভাপতি ডা. কে এম তানভীর। চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে তিনি বলেন, ‘আমরা যে নীতি থেকে ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হই, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় আমরা আজ যেখানে আসছি— সেটার কিন্তু একটা মেইন কারণ ছিল হাসপাতাল ও মেইন ক্যাম্পাসে যে অনিয়মগুলো চলছে সেগুলো রুখে দেওয়ার জন্য বা বন্ধ করার জন্য আমরা দাঁড়াইছি।’

চমেক হাসপাতালে কী ধরনের অনিয়ম চলছে— এমন প্রশ্নে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘এরা (নাছির সমর্থক আইডিএ) করছে কি গত ১০-১২ বছর ধরে চাঁদাবাজির যে দুর্বৃত্তায়ন এগুলো ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের নামেই করেছে। যত ধরনের ল্যাব এখানে আছে— বিশেষ করে যেখানে সিটি স্ক্যান-এমআরআই হয় আপনি দেখবেন তাদের অনেক এমআর ওখানে ঘোরে। ঘুরে ওখান থেকে রোগী কালেক্ট করে নিয়ে যায়। কোন্ ওয়ার্ড থেকে কোন্ ল্যাব কোনদিন রোগী নেবে এগুলো সব ইন্টার্নরা নিয়ন্ত্রণ করতো। করে এরা টাকা-পয়সা আর্ন করতো। এক একটা ইন্টার্ন এখান থেকে যাওয়ার সময় এটলিস্ট একটা গাড়ি কিনে নিয়ে গেছে। মোটামুটি ২০-৩০ লাখ টাকা করে ইনকাম করতো।’

নাছির সমর্থক আইডিএর নেতারা কিভাবে টাকা আয় করতো— এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. মিনহাজ বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ কিংবা অন্য মেডিকেল কলেজের ইন্টার্নদের এখানে ইন্টার্ন করতে দিচ্ছে, তাদের একেকজনের কাছ থেকে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা করে নিছে। এরকম করে ওদেরকে ইন্টার্ন করতে দিত। কারণ ইন্টার্ন করতে দিতে হলে ওদের একটা এনওসি লাগে। তো এটা ওরা নিয়ন্ত্রণ করতো। এগুলো মনোপলি করতে করতে এরা টাকার লোভে এরা ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনটাকে পচাই ফেলছে। ওরা আইবিএ নাম দিয়ে একটা রুম দখল করছে।’

তিনি বলেন, ‘ইন্টার্ন একটা ইয়ার-এন্ডিং প্রোগ্রাম প্রতি বছর হয়। এটা উপলক্ষে ৪ মাস আগে থেকে একটা চাঁদাবাজির উৎসব চলে। কিভাবে প্রত্যেক কোম্পানিকে ডাইকা আপনি এত লাখ টাকা আর ওমুক এত লাখ টাকা এভাবে একটা ধারাবাহিক চাঁদাবাজি তারা চালাই যাইতে থাকে। এগুলার বিরুদ্ধে যখন কথা উঠছে। এখন এর বিরুদ্ধে উদ্যোগ নেবে কে? ওরা তো কারও সাথে মিলমিশ হবে না। যার কারণে এরা ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ হিসেবে এরা একটা কমিটি দাঁড় করাইছে। আর ওরা ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশন দিয়ে একটা কমিটি দাঁড় করাইছে।’

তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের (আইডিএ) একজন সাবেক নেতা চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘ওষুধ কোম্পানিগুলো বা ল্যাবের সাথে ডাক্তারদের সম্পর্ক একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সেখান থেকে কিছু টাকা ইন্টার্ন ডাক্তারদের কাছে আসে না এমনটা না। কিন্তু সেগুলো খরচেরও নির্দিষ্ট খাত আছে। যেমন ধরেন প্রতি বছর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ৩-৪ টা ট্যুর দেয়। তো এই ট্যুরের টাকাটা তারা স্পন্সর করে। ট্যুর প্রতি ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা বাজেট হয়। সেটা তো ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের জন্য না, সকল ইন্টার্নদের জন্য ট্যুর হয়। ইন্টার্ন ডক্টরস শুধুমাত্র এটা অর্গানাইজ করে। আর এই ট্যুরগুলোর জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীরাই বেশি আগ্রহী থাকে। ৩ মাস কাজ করে এক দুই দিনের প্লেজার চায় তারা। সেখানে ওষুধ কোম্পানিগুলোর কিছু কন্ট্রিবিউশন থাকে। কিন্তু এখান থেকে বছর শেষে একটা গাড়ি নিয়ে বের হওয়া— এটা তো পুরো অলীক কথা। এটা কি সম্ভব? যদি সম্ভবই হতো, তাহলে আমার গাড়ি কই?’

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সুশৃঙ্খল একটা সিস্টেম ভাঙতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইচিপের কমিটি করা হয়েছে— এমন মন্তব্য করে নাছির সমর্থক ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি ডা. মিনহাজ আরমান লিখন বলেন, ‘এটা একটা অরাজনৈতিক সংগঠন, এটা হচ্ছে একটা এসোসিয়েশন, একটা ব্যাচের কমিটি। আমরা স্টুডেন্ট ছিলাম কিছুদিন আগেও। সেই সময়টাতে, এমনকি এখনও ক্যাম্পাসের অবস্থা ভাল না। ক্যাম্পাস আর হোস্টেল দুটোই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে আছে। এরকম ঝামেলার একটা অবস্থা আমরা স্টুডেন্ট থাকা অবস্থা থেকেই দেখে আসছি। এসবের একটাই কিন্তু কারণ— নতুন একটা গ্রুপ রাইজ করছে ক্যাম্পাসে। সেটার রেশ ধরে কিন্তু একটা ব্যাচ এসে ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের মত জায়গায় নিজের মত করে মনগড়া একটা কমিটি দিয়ে নতুন একটা নামে সংগঠন খুলছে।’

এক্ষেত্রে চমেকের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভাঙার অভিযোগ করে এর মাধ্যমে নতুন সংকট তৈরি হবে— এমন মন্তব্য করে ইন্টার্ন নেতা লিখন বললেন, ‘কিন্তু এটা আমাদের চমেকের ট্র্যাডিশন না। এটা অন্যায়। কারণ যুগের পর যুগ ধরে এখানে একটা ট্র্যাডিশন চলে আসছে। আজ আপনি সে ট্র্যাডিশন ভেঙে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ করলেন। দুদিন বাদে যদি নরমাল একজন স্টুডেন্ট গিয়ে যদি বলে সে ইন্টার্ন ডক্টরস বা ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের বাইরের একজন। সে নিজেকে প্রেসিডেন্ট দাবি করে আরেকজনকে সেক্রেটারি দাবি করে বসে, তাদের ব্যাপারে আপনি কী বলবেন? এগুলো বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা ছাড়া কিছুই না।’

পাশাপাশি ইচিপের এই কমিটির অনুমোদনের বিষয়টিও কোনো কাঠামোর মধ্যে নেই দাবি করে লিখন বলেন, ‘এই কমিটি কে অনুমোদন করছে? কমিটির দলিল কই? চট্টগ্রামের বাইরে ছাত্র-শিক্ষক সমিতির আন্ডারেও ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের মতো অনেক সংগঠন হয়ে যায়। আপনাকে তো একটা নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। কেউ না কেউ তো আপনাকে অথরাইজ করতে হবে। আপনি তো নিজেই নিজেকে দাবি করে বলতে পারেন না যে আমি আজ থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের প্রেসিডেন্ট। আপনাকে নিয়মের মধ্যে আসতে হবে। আপনি যদি নতুন একটা ট্র্যাডিশনও ঢোকাতে চান, আপনি যদি সলিড হন— সেক্ষেত্রে আপনার উচিত ছিল বিএমএ-স্বাচিপ অথবা ছাত্র-শিক্ষক সমিতি বলেন বা আগের ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের যারা ছিল— তাদের মধ্যে অন্তত একটা মানুষের সাথে তো আপনি কথা বলতে পারতেন। যে এটাকে কিভাবে লিগালাইজ করা যায়। কিন্তু লিগালাইজ করা তো উদ্দেশ্য না, মূলত বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য এটা করা হয়েছে।’

তবে দুই কমিটির নেতাদের কারোরই ঝামেলা করার মানসিকতা নেই— প্রকাশ্যে এমন কথা বলা হলেও এই দুই কমিটির কারণে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় এর প্রভাব পড়বে— এমন আশংকার বিষয়ে দুই কমিটির নেতারাই মোটামুটিভাবে একমত। তবে এটির সমাধান কোন্ পথে এমন প্রশ্নের উত্তরে দুই পক্ষই বলছেন তারা সমাধান চান।

আ জ ম নাছির সমর্থক ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মিনহাজ আরমান লিখন বলেন, ‘আমরা সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই এটার প্রতিকার চাইছিলাম। যখন শুনছি তারা আলাদা কমিটি দেবে, তখন আমরা তাদের সাথে কথা বলছি। কিন্তু তারা কথা আগায় নাই।’

অন্যদিকে লিখনের এই দাবি নাকচ করে দিয়ে নওফেল সমর্থক ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি কে এম তানভীর বলেন, ‘লিখন এটা কেন বললো আমি জানি না। এমন কোনো প্রস্তাব আমাদের কাছে অফিসিয়ালি আসে নাই বা আমার কাছে পার্সোনালিও লিখন বলে নাই যে— আমরা এভাবে করি।’

তবে আগামীতে হঠাৎ এই বিভক্তি ও দ্বন্দ্বের সমাধানের বিষয়ে কী ভাবছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. তানভীর বলেন, ‘আমরা যে নীতি থেকে ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হই, মহিবুল হাসান চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় আমরা আজ যেখানে আসছি, সেটার কিন্তু একটা মেইন কারণ ছিল হাসপাতাল ও মেইন ক্যাম্পাসে যে অনিয়মগুলো চলছে সেগুলো রুখে দেয়ার জন্য বা বন্ধ করার জন্য আমরা দাঁড়াইছি। আমরা যখন এসবের বিরুদ্ধে কথা বলি তখনই তাদের সাথে আমাদের ঝামেলাগুলো হয়। সে জায়গা থেকে এমন (সমঝোতার) কোনো প্রস্তাবও যদি আসে তাহলে আমাদের চিন্তা করতে হবে তারা কি সেই ধারা বজায় রেখে আমাদেরও সেখানে যুক্ত করার চেষ্টা করছে, নাকি তারাও চাচ্ছে সাধারণ রোগীগুলো উপকৃত হোক, রোগীরা সেবা পাক, ইন্টার্নদের স্বার্থও রক্ষা পাক। এটা বিবেচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। এখন কোনরকম কোনো ঝামেলা করার উদ্দেশ্য আমাদের নাই।’

অন্যদিকে নওফেল সমর্থক ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের কমিটির বৈধতা নিয়ে নাছির সমর্থক ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশনের নেতাদের আপত্তির বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. তানভীর বলেন, ‘ইন্টার্ন কমিটি অথরাইজ করার একমাত্র অথরিটি হলেন হাসপাতালের পরিচালক ও পরিচালনা কমিটি। এখন রীতি অনুযায়ী আগে যা চলে আসছে, এটা তো লিগ্যাল না। যে রীতি চলে আসছে সেটা যদি ইলিগ্যাল হয়, আর আমিও তার সাথে চলে যাই— তাহলে আমি আর তার মধ্যে তো কোনো পার্থক্য রইলো না।’

সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm