২০ কোটির ‘অবৈধ’ সম্পদ, স্ত্রীসহ চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা দুদকের মামলায়

২০ কোটি টাকার আয় বহির্ভূত সম্পদ থাকার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আসামি হয়েছেন চট্টগ্রামের সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী। তাদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন—চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী সায়মা হাসান।

বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দুদকের নির্দেশে ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকার সম্পদ ঘোষণা করেন তিনি। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ২৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এখানেই স্বঘোষিত সম্পদ ও প্রকৃত সম্পদের মধ্যে গরমিল প্রায় ১০ কোটি ৭৮ লাখ টাকার।

এছাড়া অনুসন্ধানে তার মোট বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে করে প্রায় ১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, আসামি মো. কামরুল হাসান অসাধু উপায়ে অর্জিত সম্পদ ভোগদখলে রাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করাই মামলা করা হয়েছে।

এছাড়া তার স্ত্রী সায়মা হাসানের নামে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। দুই জনের সম্পদের হিসেবে প্রায় ২০ কোটি টাকার আয় বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে দুদকের অনুসন্ধানে।

এটি/ডিজে

ksrm