আক্রান্ত
১৮৬৯৫
সুস্থ
১৫০৬২
মৃত্যু
২৯০

১৫ লাখ টাকা কাঠায় চট্টগ্রামে ২০০০ প্লট দেবে সিডিএ

0

এক যুগেরও বেশি সময় পর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আয়বর্ধক প্রকল্প হিসেবে আবাসিক এলাকা প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু করলো চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। আগেই প্রস্তাব করা আবাসিক এলাকা অনন্যা-২ এর ভূমি অধিগ্রহণের জরিপ কার্যক্রম মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে যা চলতি সপ্তাহে শেষ হবে। জেলা প্রশাসন এবং সিডিএ যৌথভাবে ভূমি জরিপের এই কার্যক্রম শুরু করেছে। এই প্রকল্পে দুই হাজার প্লট থাকছে।

অর্থাভাবে দীর্ঘদিন প্রকল্পটি ঝুলে ছিল। সম্প্রতি একটি বেসরকারি ব্যাংকের সাড়ে ৮শ কোটি টাকা বিনিয়োগের চুক্তিও হয়ে গেছে। চুক্তি অনুযায়ী এই প্রকল্পে প্রতি কাঠা ভূমির মূল্য ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হবে। চলতি বছরের মধ্যেই অনন্যা-২ আবাসিক এলাকা প্রকল্পের প্লট বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হবে বলে সিডিএ সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় থেকে আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি পৃথক আবাসিক এলাকা গঠন করে প্লট বরাদ্দের মাধ্যমে আয় বাড়ানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। একই সাথে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী প্রতি বছর ৫০ একর জমিতে পরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকা গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা পাওয়ার পর সেই আলোকে সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ অনন্যা-২ আবাসিক এলাকার কাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে অক্সিজেন কুয়াইশ সংযোগ সড়কের পাশে অনন্যা আবাসিক এলাকা প্রতিষ্ঠা করে এক হাজারেরও বেশি প্লট বরাদ্দ দেয় সিডিএ। এরপর বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকটি আবাসিক প্রকল্প গ্রহণের ব্যাপারে আলোচনা হলেও কোনোটি আলোর মুখ দেখেনি। আবদুচ সালাম টানা ১০ বছর সিডিএর চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়েই মূলত তার অনীহায় কোন আবাসিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি।

অনন্যা-২ আবাসিক প্রকল্পটি ২০১৬ সালেই বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি একনেক সভায় ২ হাজার ৮৩২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন লাভ করে। নগরীর পাঁচলাইশ, কুয়াইশ ও বাথুয়া মৌজার ৪১৮ দশমিক ৭৩ একর জমির ওপর এ আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ভূমিমূল্য বিবেচনায় হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া ও শিকারপুর মৌজার ভূমিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে শুরুতে প্রকল্প এলাকা ৪১৮.৭৩ একর থাকলেও বর্তমানে তা কমে ২৭৬ একর নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৭৬ একর এলাকার ৪০ শতাংশ ভূমি রাস্তা, লেক, খেলার মাঠ এবং সবুজায়নসহ নানা ধরনের পারিপার্শ্বিক কাজে ব্যবহার করা হবে। বাকি ৬০ শতাংশ ভূমির উপর বিভিন্ন সাইজের ২ হাজার আবাসিক প্লট এবং ২০টি বড় সাইজের কমার্শিয়াল প্লট করে ডিপিপি তৈরি করা হয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। সাড়ে ৮শ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণের, অবশিষ্ট ব্যয় সিডিএর। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই প্রকল্পের প্লট বরাদ্দের জন্য সিডিএ দরখাস্ত আহ্বান করবে। প্রতি কাঠা ভূমির মূল্য ১২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্নার প্লট বা বিশেষ কিছু প্লটের ক্ষেত্রে ভূমির মূল্য কাঠা প্রতি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এফএম/এমএহক

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm