‘মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রের সকল সুযোগ-সুবিধা এবং অধিকার হিজড়াদের প্রাপ্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তাসহ সকল অধিকার পেলে হিজড়ারাও সাধারণ নাগরিকের মতো দেশের উন্নয়নে একযোগে কাজ করতে পারবে। সরকার ইতোমধ্যে হিজড়াদের সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। হিজড়া যৌনকর্মীরা প্রত্যেকে মানুষ। সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হলে হিজড়াদের জীবনযাপনেও পরিবর্তন আসবে। নিরাপদ পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারলে তাদের চাঁদা তোলাসহ কোনো অনৈতিক কাজ করতে হবে না।’

বুধবার (১৩ মে) নগরীর একটি হোটেলের হলরুমে আফাসা’র সহযোগিতায় ‘বন্ধু সোশ্যাল অয়েলফেয়ার সোসাইটি’ আয়োজিত ‘ব্যবধান দূরীকরণ : ন্যায়সঙ্গত পরিষেবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের এডিসি (জেনারেল) শরিফুদ্দিন।
আরও অতিথি উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা সিনিয়র সিভিল জজ সুব্রত দাশ, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডাক্তার মো. সাহাদাদ হোসেন, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ডেপুটি ডাইরেক্টর মো.আবুল বাশার।
বন্ধুর পলিসি, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ম্যানেজার মো. মসিউর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বন্ধুর ডেপুটি ম্যানেজার, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন সৈয়দ আবু সালে মাহফুজ, আফাসা’র সভাপতি মংওয়াই মারমা।
এছাড়া আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ধর্মীয় নের্তৃত্ব, আইনজীবী, সাংবাদিক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি এবং হিজরা প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।আলোচনা সভায় চট্টগ্রামের এডিসি জেনারেল হিজড়াসহ বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।




