সড়কে গরুর হাট, হাটহাজারী রোডে যান চলাচলে বাধা

0

নগরীর বিবিরহাট পশু বাজারে ক্রেতার ভিড়ে পা ফেলার জায়গা নেই। কোরবানির একদিন বাকি থাকতেই জমে উঠেছে বেচাকেনা। সকাল থেকে পশু বেচাকেনা ভালো হলেও দুপরের দিকে মূল বাজার পেরিয়ে হাটহাজারী মুরাদপুর সড়ক, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড, রেললাইন গরুতে সয়লাব হয়ে যায়। ফলে হাটহাজারী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে যানচলাচল কিছুটা স্বাভাবিক করেন।

শনিবার ( ১০ আগস্ট) বিকেল তিনটার দিকে সরেজমিনে বিবিরহাট বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতার ভিড়ে পা ফেলার জায়গা নেই। পুরো বাজারে মানুষের ঢল। চলছে পশু বেচাকেনা।

চকরিয়ার নুরুল কাদের ২০ গরু নিয়ে গতকাল বাজারে এসেছেন। ইতিমধ্যে ১২ গরু বিক্রয় করেছেন। লাল রঙের সবচেয়ে বড় গরুটির দাম হাকিঁয়েছেন সাড়ে ছয় লাখ। বেচাকেনায় তিনি সন্তুষ্ট।

বোয়ালখালী থেকে রবিউল হোসেন ১৫ গরু নিয়ে বাজারে এসেছেন। এখনো তিনটি গরু বিক্রি হয়নি। এবারের বেচাকেনায় তিনি সন্তুষ্ট। ঝুঁকি এড়াতে আগেভাগে গরু বিক্রয় করেছেন। দামও ভাল পেয়েছেন। তবে বৃষ্টির কারণে একটু সমস্যায় পড়েছিলেন।

গরু কিনে চলে যাওয়ার সময় কথা হল রফিক আহমদ, খালেদ জামান, মোস্তফা আমিন নামের কয়েকজন জানান, দাম একটু বেশি হলেও তারা জানান গরু কিনে তারা সন্তুষ্ট। বৃষ্টির কারণে একটু কষ্ট হলেও গরু কেনার পর সে কষ্ট মুছে গেছে।

দুপুর দুইটার দিকে বাজারে গরু সংকুলান না হওয়ায় হাটহাজারী সড়কের হামজারবাগ থেকে মুরাদপুর, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড, রেল লাইন সহ পুরো এলাকায় গরুতে সয়লাব হয়ে যায়। ক্রেতাও বাড়তে থাকে। ফলে হাটহাজারী সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। সড়কে গরু বাজার নিষিদ্ধ হলেও গরু মালিকেরা তা মানেননি।

পুলিশ গরু মালিকেদের বারবার বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরাতে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত পুলিশ এনে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক করেন। পরে আবারো গরু মালিকেরা রাস্তায় গরু বাঁধতে শুরু করেন। পরে মুল সড়ক থেকে হামজারবাগ, বিবিরহাট সড়কের দুপাশ, বশর মার্কেট, আয়েশা মার্কেট, রহমান টাওয়ার, মুরাদপুর পার্টস দোকান, বিবিরহাট মসজিদের সামনে বাঁধেন ব্যবসায়ীরা। ফলে যান চলাচল ধীরগতি হওয়ার কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। পুলিশ বার বার মাইকিং করে রাস্তার পাশ থেকে গরু সরাতে বললেও ব্যবসায়ীরা কর্ণপাত করেননি।

পাঁচলাইশ থানার ওসি আবুল কাশেম ভূইয়া বলেন, দুপুরের দিকে হাটহাজারী সড়কে গরু বাঁধার কারণে যান চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এনে গরু রাস্তার দুপাশে সরিয়ে যান চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক করি। তবে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা নেই।

সিএম/এসএস

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন