স্টেডিয়ামে বৃষ্টি থেমেছে, মাঠে গড়ালো পঞ্চম দিনের খেলা

0

সোমবার বিকেল থেকেই চট্টগ্রামের আকাশে মেঘ-বৃষ্টির খেলা। বৃষ্টির সেই খেলায় বন্ধ রয়েছে আসল খেলা। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের শঙ্কা বাড়িয়ে সকাল থেকে অঝোরে ঝরছে বারিধারা। বারটার কিছু সময় পর আফগানিস্তানের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে থামে বৃষ্টি। ম্যাচ অফিসিয়ালরা জানান, ঠিক একটায় শুরু হবে খেলা। চলবে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। মাঝখানে ৩টা ১০ থেকে ৩টা ৩০ পর্যন্ত থাকবে চা পানের বিরতি। হবে কমপক্ষে ৬৩ ওভার।

এর আগে মাঠের আকাশে সকাল সোয়া ১১টার দিকে বেশ ঝলমলে রোদের ঝিলিকই দেখা গেলো স্টেডিয়ামে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির কান্নার শব্দও বন্ধ হলো সকালে প্রথমবারের মতো। এই মাঠের প্রধান পিচ কিউরেটর প্রবীন হিঙ্গানিকার তার সঙ্গীদের নিয়ে মাঠ পরিদর্শনে নামলেন। উইকেটের চারধারের কাভারে তখন বেশ পানি জমেছে। কিন্তু আকাশে রোদের ঝলক দেখে ড্রেসিংরুমে বসে থাকা আফগানিস্তানের খেলোয়াড়দের মুখেও হাসির ঝিলিক!

দিনের বাকি সময়ে যদি বৃষ্টি না হয় তবে ঘন্টায় কয়েকের খেলা হয়তো সম্ভব হবে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা খুবই আধুনিক। আউটফিল্ডের পানি দ্রুত এখানে শুকিয়ে যায়।

এই ম্যাচ জয় থেকে আফগানিস্তান এখন ৪ উইকেট দুরে। আর ম্যাচ জিততে হলে বাংলাদেশকে বাকি ৪ উইকেটে করতে হবে আরো ২৬২ রান।

এর আগে আগের রাতে বেশ জোরে বৃষ্টি নামে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম এলাকায়। সেই বৃষ্টির তোড় কিছুটা কমলেও ভোরবেলা থেকে শুরু হয় ঝিরি ঝিরি ঝরে পড়া। সকাল ১১টায় পর্যন্ত প্রেসবক্সের সঙ্গে লাগোয়া টিনের চালে বৃষ্টির সেই রিনিঝিনি চলছেই। ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী চট্টগ্রাম টেস্টে এখন বৃষ্টির এই শব্দ বাংলাদেশ দলের জন্য রিনিঝিনি ও সুমধুরই মনে হবে। আর আফগানিস্তানের কাছে সম্ভবত এই শব্দ এখন সবচেয়ে কুৎসিত! বৃষ্টির তোড় দেখে সকালে হোটেল থেকেই বেরই হলো না বাংলাদেশ দল। হোটেল বন্দি হয়েই সময় কাটছে তাদের। জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরের বৃষ্টির আনন্দ সুখ উপভোগ করছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।

আর বেচারা আফগানিস্তান দল সকাল সকাল নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মাঠে চলে আসে। বৃষ্টি ভেজা মাঠে খেলা নির্ধারিত সময়ে শুরু হবে না জেনেও আফগানিস্তান ঠিকই মাঠে এসে হাজির।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন