সেন্টমার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে ঢেউয়ে ভেসে এলো দুই নারীর অর্ধগলিত মরদেহ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে একদিনে শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপের সৈকত থেকে উদ্ধার হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় দুই নারীর মরদেহ। মরদেহ দুটি বিকৃত ও অর্ধগলিত হওয়ায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ঘোলাপাড়া সৈকতে প্রথম মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। একইদিন দুপুরে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে উদ্ধার করা হয় আরও এক নারীর মরদেহ।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, সমুদ্রপথে মালয়েশিয়াগামী কোনো ট্রলারডুবির ঘটনা অথবা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে শাহপরীর দ্বীপে আসার পথে, বদরমোকাম চ্যানেলে নৌকাডুবির ঘটনায় মরদেহ দুটি ভেসে আসতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সনজীব জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

তিনি বলেন, পরনের পোশাক দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি কোনো রোহিঙ্গা নারীর হতে পারে।

অপরদিকে সেন্টমার্টিনের পশ্চিম সৈকত থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি দীর্ঘ সময় সাগরের পানিতে থাকায় অর্ধগলিত হয়ে যায় এবং মাথা বিচ্ছিন্ন থাকায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েক দিন ধরে বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। ফলে টানা পাঁচদিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ওসমান গনি জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মরদেহটি নৌপথে টেকনাফ বা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করে স্থানীয় কবরস্থানে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে।

এএইচ

ksrm