সিন্ডিকেটের দখলে চামড়া ব্যবসা

0

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেষ মূহূর্তেই কোরবানীর পশুর হাটে যেভাবে গরু-ছাগল সংকট সৃষ্টি হয়েছিল ঠিক তেমনি পশু জবাই’র পরে এবার সংগৃহিত মূল্যবান চামড়াটি ন্যায্য দাম না দেওয়াতে হতাশ হয়েছেন চট্রগ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীরা ।

শনিবার দুপুর থেকেই জবাইকৃত পশুর চামড়া গুলো স্তরে স্তরে পড়ে থাকতে দেখা যায় বিভিন্ন জায়গায়।

দুপুর ২টায় পতেঙ্গার খুচরা বেপারী জানান, নগরীতে ট্যানারী শিল্প কমে যাওয়ায় চামড়া কিনতে উৎসাহ দেখাচ্ছেনা আড়তদারগণ।

এছাড়াও কিছু সিন্ডিকেটের কারণে চামড়ার প্রকৃত দাম না বেপারীরা হতাশ হয়ে পড়েছে।

তবে বিভিন্ন সমস্যার কারন দেখিয়ে পুরাতন অনেক আড়তদার এবার চামড়া কিনতে মাঠে নামেনি।

আর সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া না কেনায় তার প্রভাব ও দাবি করে চরম হতাশ ভুগছে ব্যবসায়িরা।

ফলে তৃণমূলের চামড়া ক্রেতারাও পড়েছে চরম বিপাকে। অনেকে গ্রাহকদের কাছে ন্যায্যমূল্যের জন্য নানা ভাবে নাজেহাল হবার দৃশ্যও দেখা গেছে।

ইপিজেডের আশরাফ বলেন, ১/২লাখ টাকা দিয়ে গরু কোরবানী দিলাম আর চামড়া বিক্রির টাকা যদি ৫শত-৭শত টাকা দেন তাহলে সেই চামড়া এত কম কেন প্রশ্ন রাখেন।

এছাড়া বন্দর-ইপিজেড (সল্টগোলা ক্রসিং) এলাকার কিছু অসাধু চামড়া ব্যবসায়ি সিন্ডিকেটধারী লোক মসজিদ/মাদ্রাসা ও এতিমখানায় চামড়ার বিক্রির টাকা দিবে বলে অল্প মূল্যে ধরিয়ে দিয়ে গ্রাহকদের সাথে চরম প্রতারণা করছেন বলেও একাধিক অভিযোগ প্রতিবেদককে জানান কোরবানীদাতারা।

আবার একাধিক চামড়া বেপারী নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে বলেন,বর্তমানে হঠাৎ করে সরকার লবনের দাম বাড়িয়ে দেওয়াতে প্রকৃত খরিদদারগণ চড়াদামে পশুর চামড়া কিনে লোকসান হবে চিন্তা করছে। ফলে ন্যায্য দাম থেকে কিছুটা কম দামে চামড়া ক্রয় করতে উৎসাহ দেখাচ্ছে।

তবে চামড়া শিল্পের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এতে তথ্য জানানো সম্ভব হলো না। আসলে সমস্যাটা কোথায়।

চট্রগ্রামের চামড়া ব্যবসায়িরা যে, এবার হতাশ হবেন তা এক প্রকার অনেকটি নিশ্চিত বলা চলে ।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন