সমঝোতায় শেষ হলো চবি ছাত্রলীগের ৩ দিনের সংঘাত

উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকের পর সমঝোতায় শেষ হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘাত। সবাই মিলে একসঙ্গে রাজনীতি করার বিষয়ে একমত হয়েছেন সব গ্রুপের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সাথে বৈঠকে বসেন ছাত্রলীগের সব উপ-গ্রুপের নেতারা। বৈঠকটি রাত ১১টায় শেষ হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন মামলা করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি যে রিপোর্ট দিবে তার ভিত্তিতে প্রশাসন জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবে। অন্যদিকে বিজয় গ্রুপকে সোহরাওয়ার্দী হলে উঠতে দেওয়া হবে। ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলের বিষয়ে উপাচার্য দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। সবাই একইসাথে রাজনীতি করবেন। অন্যদিকে আটক কর্মীদের ছেড়ে দেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে যে যার হলে সহাবস্থান করবে। কোনো ধরনের সংঘাতে জড়াবে না। এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এস এম মনিরুল হাসান চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘সবাই সমঝোতায় পৌঁছাতে আমরা কোনো মামলায় যাচ্ছি না। আমাদের থেকে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে যে ব্যবস্থা নিব তা সবাই মেনে নিবে বলে আমাদের জানিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, পূর্ব ঘটনার জেরে বুধবার ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে মধ্যরাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। এ সময় ভাঙচুর করা হয় আবাসিক হলের ৮৭টি কক্ষ। এতে আহত হয় অর্ধশতাধিক। বিবাদমান গ্রুপ দুটি হল- শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বিজয় গ্রুপ ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী গ্রুপ কনকর্ড।

এএইচ

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!