রেল পুলিশের কাছে ৮ দিনের ট্রেন চলাচলের তথ্য চাইলেন পুলিশ সুপার
চট্টগ্রাম প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশের জের
রেলওয়ে গভর্নমেন্ট পুলিশের (জিআরপি) কাছে ট্রেন চলাচলে বিলম্বের তথ্য জানতে চেয়েছেন এক আদেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার। এতে আটদিনের ট্রেন ছাড়ার সময় ও বিলম্বের পৌঁছানোর কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি কোনো পরিকল্পতি ঘটনা—তা জানতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ সুপার তহুরা জান্নাতের কার্যালয় থেকে এই আদেশ পাঠানো হয়েছে।
এর আগে চট্টগ্রাম প্রতিদিনে ‘রেলের পথে এক মাসে ৫৫ ইঞ্জিন বিকল, ৫% কমিশন ও বেনামি ব্যবসায় যন্ত্রাংশ আমদানি থমকে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
জানা গেছে, রেল পুলিশ সুপার ইঞ্জিন ফেলিউরের ঘটনাটি যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি কোনো পরিকল্পিত ঘটনা—তা যাচাইয়ের জন্য ১৯ থেকে ২৬ জানুয়ারির তথ্য চেয়েছেন। এতে সকল ট্রেনের নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছেড়ে যাওয়া ও বিলম্বে পৌঁছানোর কারণসহ রিপোর্ট দিতে দায়িত্বরত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশন জিআরপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান আদেশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগেও ট্রেন ছেড়ে যেতে ও পৌঁছাতে বিলম্বের কারণ নিয়ে একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা প্রতিবেদন দেয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের ৩টি ট্রেনের ইঞ্জিন ফেলিউরের ঘটনা ঘটে। এতে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয় এবং তারা ভাঙচুর চালায়। এছাড়া সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের বদলে ১০টা ৮ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে ছেড়ে যায়। একইদিন বিজয় এক্সপ্রেস ভোর ৬টার বদলে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায় দুপুর ১২টায়।
জেএস/ডিজে




