কক্সবাজারের চকরিয়ার দুই ইউনিয়নের চার স্কুলছাত্রসহ ৬ জন যুবককে অপহরণ করা হয়েছে। তিনদিন ধরে অপহরণকারী চক্র তাদের আটকে রেখে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে।
অপহরণের শিকার ছয়জন হলেন— শাহারিয়ার কবির সোহাগ (১৪), মোহাম্মদ শহীদ হোসেন (১৪), মোহাম্মদ মাহিম (১৩), ইসাদুল হোছাইন হামিম (১৫), নুরুল আমিন মনু (২৭) এবং মো. সিফাত (২১)। এদের মধ্যে প্রথম চারজন চকরিয়া উপজেলার কাকারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সদস্যরা গত ৩১ মে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে কাকারা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইউসুফ (৪৭), তার ছেলে ইসরাক হোসেন (২০) এবং স্ত্রী তানিয়া বেগমকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মে সকালে চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সুরাজপুর এলাকা থেকে চারজন এবং বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন থেকে ২ জনকে মালয়েশিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে কতিপয় অপহরণকারী চক্র তাদের আস্তানায় নিয়ে গিয়ে আটকে রাখে।
থানায় জমা দেওয়া অভিযোগে ভিকটিমদের পরিবার সদস্যরা আরও উল্লেখ করেন, গত তিনদিন ধরে অপহরণকারীরা ৬ কিশোর যুবককে জিন্মিদশায় আটকে রেখে ০১৩৪৮৯৮৪৩৫০ নম্বর মোবাইল থেকে যোগাযোগ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করছে। টাকা দেওয়ার জন্য অপহরণকারীরা কৌশল হিসেবে অপহৃতদের একটি ছবি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে এখন নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের লোকজন জানান, অপহরণকারীদের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে জিন্মিদশায় আটকে রাখা কিশোর যুবকদেরকে প্রাণনাশ করবে বলেও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এ ঘটনায় ৬ কিশোর যুবকের পরিবারে চলছে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, ৬ কিশোর যুবককে আটকে রেখে টাকা দাবি করার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভিকটিমরা বিদেশ যাবার কথায় সম্মতি দিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে।অভিযোগের ভিত্তিতে অপহৃতদের উদ্ধার এবং জড়িতদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
ডিজে




