s alam cement
আক্রান্ত
৫১৩৯০
সুস্থ
৩৭২৭৭
মৃত্যু
৫৬৮

‘মাত্র ৫ টাকায়’—চসিকের বাণিজ্যিক জায়গা ‘পছন্দের লোককে’ দিলেন প্রশাসক সুজন

0

চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট পোস্ট অফিসের সামনে চসিকের ইউনুস মিয়া মেটারনিটি লাগোয়া একটি বাণিজ্যিক জায়গা নামমাত্র মূল্যে ভাড়ায় দিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। চার মাসে আগে দরপত্রের মাধ্যমে নামমাত্র মূল্যে এই ইজারা দেয়া হয়।

নগরের গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক এলাকায় জায়গাটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে প্রতি বর্গফুট মাত্র ৫ টাকায়— চট্টগ্রাম প্রতিদিনের অনুসন্ধানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। জায়গাটি ভাড়ায় লিজ পেয়েছে খোরশেদ আলম সুজনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা পরিচয়দানকারী খলিলুর রহমান নাহিদ।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে মাত্র ৬ মাস দায়িত্ব পালন করেন খোরশেদ আলম সুজন। এ অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক জায়গা কম টাকায় ভাড়ায় লিজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুজনের বিরুদ্ধে। এ সময়ে যারা জায়গা দরপত্রের মাধ্যমে ভাড়ায় লিজ পেয়েছে, তারা সবাই সুজনের ঘনিষ্ঠ পরিচিত বলে জানা গেছে। এরমধ্যে খলিলুর রহমান নাহিদকে একই দিনে দুটি জায়গা ভাড়ায় লিজ দিয়েছে চসিক।

খলিলুর রহমান নাহিদ ইসলামিয়া কলেজের সাবেক ভিপি। তিনি খোরশেদ আলম সুজনের মেয়র হজ ক্যাফেলার পরিচালক আব্দুর কাদেরের মেয়ের জামাই বলে জানা গেছে।

চসিক সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট পোস্ট অফিসের সামনে ইউনুস মিয়ার মেটারনিটি সংলগ্ন ১০৬৪ বর্গফটের একটি জায়গা ভাড়া দেওয়া হয়। এ জায়গা প্রতিমাসে বর্গফুট ভাড়া হিসেবে নেওয়া হচ্ছে ৫ টাকা হারে। জায়গাটি ভাড়া কার্যাকর শুরু হয়েছে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে। চুক্তিতে আগামি এক বছরের জন্য জায়গাটি ভাড়া অনুমোদিত হয়।

ইজারাদার খলিলুর রহমান নাহিদ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশনের সবকিছু নিয়ম মেনে আমাকে ইজারা দিয়েছে। আমার নিজের ইচ্ছায় নেওয়া সুযোগ নেই। সুজন সাহেবতো দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকা জায়গা ভাড়া দিয়ে কর্পোরেশনকে লাভবান করেছে। এতে দোষের কী?

Din Mohammed Convention Hall

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আপনি যত পারেন লিখেন, আমার কোনো বক্তব্যে নেই।’

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘ইউনুছ মিয়া মেটারনিটি সংলগ্ন একটি জায়গার বিষয়টিও জেনেছি। সেগুলো কোয়ারি চলছে। যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাসিক সাধারণ সভায় সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের আমলে যতগুলো জমি ও জায়গা ইজারা দেওয়া হয়েছিল সেগুলো সঠিক প্রক্রিয়ায় দেওয়া হয়েছিল ছিল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়েছেন মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী।

মুআ/কেএস

ManaratResponsive

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm