বোমা আতঙ্কে শাহ জালালে, গিয়ারে সমস্যায় শাহ আমানতে বিমানের জরুরি অবতরণ

0

বোমা আতঙ্কে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করেছে। বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৩৮ মিনিটে ফ্লাইটটি (ফ্লাইট নম্বর এমএইচ-১৯৬) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় নামে।

অপরদিকে গিয়ারে সমস্যা থাকায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের একটা বিমান জরুরি অবতরণ করানো হয়েছে। বুধবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

জানা যায়, ঢাকা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ডি ৮ মডেলের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দিলেও পাইলটের দক্ষতায় নিরাপদে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। এ ফ্লাইটে ৪২ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে সাতকানিয়ার এমপি আবু রেজা নদভীও ছিলেন বলে জানা গেছে।

তবে যাত্রীরা নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন বিমান থেকে। শাহ আমানত বিমানবন্দরে কর্মরত জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানান, বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪০ মিনিটে বিশেষ ব্যবস্থায় বিমানটি অবতরণ করানো হয়। সন্ধ্যা ৭টা ৪৭ মিনিটে ঢাকা ছেড়ে আসা বিমানের ফ্লাইটটি তিনবার নামার চেষ্টা করেন পাইলট।

অবশেষ ক্যাপ্টেন রুবায়েত বিমানটি ল্যান্ডিং করে সফল হন। বিমান বন্দরের কর্মরত ডাক্তার এম শরিফ উদ্দিন বলেন, বিমান থেকে যাত্রী নেমে আসার পর দেখা যায় কেউই আহত হননি। ক্যাপ্টেনকেও দেখেছি স্বাভাবিক থাকতে।

বিমানে থাকা যাত্রী আমির হোসেন বলেন, ত্রুটির কথাটি জানানো হলে বিমানের ভেতরেই আতংক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ বড় বড় করে দোয়া দরুদ পড়া শুরু করেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা থেকে আসা শেষ ফ্লাইটের ল্যান্ডিং গিয়ারের সমস্যার কারণে ফ্লাইটটি অবতরণ করতে পারেনি। পরে সর্বশেষ রাত ৯টা ৪০ মিনিটে রানওয়েতে নিরাপদে অবতরণ করে ফ্লাইটটি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সব যাত্রীই নিরাপদে বের হয়ে এসেছেন।

অপরদিকে বোমা আতঙ্কে রাজধানীর শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মারয়েশিয়ান বিমান জরুরি অবতরণ করে। বিমান বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বি এম ফরমান আলী বলেন, বিমানবন্দরে একটি ম্যাসেজ আসে যে ফ্লাইটটিতে বোমা থাকতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তাকর্মীরা ফ্লাইটটিতে তল্লাশি চালাচ্ছে।

এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন- এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, আমরা কাজ করছি। পরে বিস্তারিত জানাব।

কেএস

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm