আক্রান্ত
১৮৬৯৫
সুস্থ
১৫০৬২
মৃত্যু
২৯০

বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিলে গ্রাহক হয়রানি পতেঙ্গায়

1

বিদ্যুতের ভূতুড়ের বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকার অধিকাংশ গ্রাহক। অফিস থেকে সংশোধন করে বিল পরিশোধের পরও জটিলতা কাটছে না। পরবর্তী মাসে উল্টো জরিমানাসহ গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। এসব সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে রীতিমত হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা- এমনটাই অভিযোগ উঠেছে হালিশহর বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যুৎ ব্যবহারের চেয়ে বেশি বিল, মিটার না দেখে অনুমান নির্ভর বিল এবং বছর জুড়ে একই পরিমাণের বিল-এমন সব ভূতুড়ে বিলের মাধ্যমে হয়রানি করছে হালিশহর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ। লকডাউন ছাড়াও এসব মিটার রিডারদের দেখা যায় বছরে ১ থেকে ২ বার। অদক্ষ জনবল দিয়ে বিলের কপি বিতরণ ও মিটার রিডারের কাজ করাচ্ছেন বিদ্যুৎ অফিস। এতে বছরের পর বছর ভোগান্তিতে পড়ছেন প্রায় ৪৭ হাজার গ্রাহক।

এদিকে, করোনা দূর্যোগের কারণে দুই মাস ধরে কর্মহীন ও ঘরবন্দি থাকায় প্রায় লোকজনের আয় নেই। সেখানে ভূতুড়ে বিলের খপ্পরে পড়ে গুনতে হচ্ছে প্রকৃত বিলের চেয়ে অতিরিক্ত ২-৩ গুণ টাকা। এতে গ্রাহকদের মধ্যে চরম অসেন্তাষ দেখা দিয়েছে।

মহিউদ্দিন খালেদ ও মোহাম্মদ সেলিম নামের দুইজন গ্রাহক জানান, অতিরিক্ত বিলে বিষয়ে সেখানকার বিদ্যুৎ বিল সমন্বয়ক জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন পরের মাসে ঠিক করে দেওয়া হবে। কিন্তু লকডাউনে অজুহাত তোলেন কথায় কথায়। তার সঙ্গে সুর মেলায় সেখানকার নির্বাহী কর্মকর্তাও। অথচ ইতোপূর্বে তাদের দেওয়া বিলগুলোও ছিল মনগড়া। একটি বিল সংশোধন করার পরও তাও আবার পরের মাসে ওই বিলের টাকা পরিশোধ করছি জরিরমানাসহ। বিল নিয়ে অফিসে হয়রানিরও শেষ নেই।

একাধিক গ্রাহকরা জানান, গত ৩-৪ মাস মিটার রিডিং না দেখে অফিসে বসে তারা বিল বানিয়ে বিতরণ করছে। কোন কোন এলাকায় ৬-৮ মাসে যায় না মিটার রিডাররা। আবার এসব বিলের কপি নিয়ে সংশোধনের করতে দফতরে গেলে সেখানে হয়রানি তো আছেই। আবারও বিল সংশোধন ও মিটারের সমস্যা সমাধান করতে গিয়েও দালালদের দিতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হালিশহর বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন চট্টগ্রাম প্রতিদিন বলেন, গ্রাহকের অতিরিক্ত বিলের সমস্যা নিয়ে আসলে ঠিক করে দেওয়া হবে। তবে খুব বেশি পার্থক্য না হলে দফতরে না আসার অনুরোধ করছি।

বিলের কপি নিয়ে অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হয়রানি বিষয়ে তিনি অস্বীকার করে বলেন, বিল পরিশোধের পর একই বিল পরবর্তীতে মাসে আসার কথা নয়। তারপরও মিটার না দেখে বিল তৈরি বিষয়টিসহ দেখা হবে বলে জানান তিনি।

এসএ

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive
1 মন্তব্য
  1. প্রীতম চক্রবর্তী বলেছেন

    আমাদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল এসেছে এই বিদ্যুৎ বিল আসার পেছনে কোনো যথার্থ কারণ নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm