s alam cement
আক্রান্ত
১০২৩১৪
সুস্থ
৮৬৮৫৬
মৃত্যু
১৩২৮

বঙ্গর কাণ্ডে ‘ছারপোকা’ ব্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেল গায়েব, দেড় কোটি টাকা হারানোর অভিযোগ

0

হঠাৎ গায়েব হয়ে গেছে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘ছারপোকা’র ইউটিউব চ্যানেল। ‘বঙ্গ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাল্টি চ্যানেল নেটওয়ার্কে (এমসিএন) থাকা এই ইউটিউব চ্যানেলটি ‘গায়েব’ হয়ে যাওয়ায় ‘ছারপোকা’ ব্যান্ড অন্তত দেড় কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ব্যান্ড সদস্যরা।

২০১৭ সালের ৪ মে প্রতিষ্ঠিত ‘ছারপোকা’ ব্যান্ডটির লাইনআপে রয়েছেন— ভোকাল: ইমরান হোসেন, লিড গিটার: সৌরভ আহমেদ, সাইড ভোকাল ও গিটার: শাহরিয়ার হোসাইন মম, বেজ গিটার সৌরভ আলী, রিপ গিটার: রহমত আলী, ড্রামস: এসডি সঞ্জয় এবং ফাউন্ডার ও সিইও: ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়।

এ ঘটনায় ‘বঙ্গ’ নামের ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ‘ছারপোকা’র সদস্যরা। প্রাথমিকভাবে ব্যান্ডের পক্ষ থেকে সোমবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ব্যান্ডটির অন্যতম সদস্য ইমরান হোসেন রাহাত।

অভিযোগপত্রে লেখা হয়, ‘গত ১৬/০৫/২০১৮ ইং তারিখ ‘ছারপোকা’ ইউটিউব চ্যানেল ম্যানেজ, এসিও, আর্নিং ম্যানেজ, মনিটাইজেশন, সিকিউরিটিসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ের জন্য ইব্রাহিম মোহাম্মদ (ডেপুটি ডিড বঙ্গ স্টুডিও) ও মুশফিকুর রহমান (চিফ অব কনটেন্ট)-এর মাধ্যমে বঙ্গ হোল্ডিংস প্রাইভেট লিমিটেড-এর সাথে ‘ছারপোকা’ ব্যান্ডদলের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি সম্পাদনের পর চ্যানেলটির সব রকম এক্সেস বঙ্গ’র নিকট ‘ছারপোকা’ হস্তান্তর করে এবং বঙ্গ সেটি পরিচালনা করা শুরু করে।’

অভিযোগে বলা হয়, ‘কিন্তু গত ২০/০৫/২০২০ ইং তারিখ থেকে ইউটিউবে ‘ছারপোকা’র চ্যানেলটি আর খুঁজে পাওয়া না যাওয়ায় ব্যান্ডের পক্ষ থেকে বঙ্গ’র সাথে যোগাযোগ করা হলেও অদ্যাবধি এ সম্পর্কে বঙ্গ কোনও সদুত্তর না দিয়ে সময় ক্ষেপণ করে আসছে।’

সাধারণ ডায়েরিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘চ্যানেলটিতে ‘ছারপোকা’র নিজস্ব অর্থায়নে ৫০টি মিউজিক্যাল কনটেন্ট ছিলো, যার আনুমানিক নির্মাণ মূল্য ৮০ লাখ টাকা এবং ৭ লাখ সাবসক্রাইবারের চ্যানেলটির বাজার মূল্য ন্যূনতম ২০ লাখ টাকা। চ্যানেলটি গায়েব হয়ে যাওয়ায় আরও ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয় এরই মধ্যে।’

‘ছারপোকা’ ব্যান্ডের সদস্য ইমরান হোসেন রাহাত বলেন, ‘আমরা একাধিকবার বঙ্গর সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনও প্রতিকার পাইনি। উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে আসছে তারা। তাই আর কোনও উপায় না পেয়ে আমরা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।’

ManaratResponsive

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm