ফেভারিট চট্টগ্রাম আবাহনীর শুভ সূচনা, মাঠে গড়ালো প্রিমিয়ার ক্রিকেট

চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার লিগের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো চট্টগ্রাম আবাহনী ও প্রিমিয়ারে নবাগত রাইজিং স্টার জুনিয়র মধ্যকার খেলায়। শ্বাসরুদ্ধকর সে লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসে মাঠ ছেড়েছে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম আবাহনী।

অনেক আগেই ঘোষণা অনুযায়ী তারিখেই শুরু হয় এবারের প্রিমিয়ারের আসর। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় গতবারের চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম আবাহনী ও রাইজিং স্টার জুনিয়র। শ্বাসরুদ্ধকর সেই লড়াইয়ে ২ উইকেটে রাইজিং জুনিয়রকে হারিয়ে শুভসূচনা করেছে চট্টগ্রাম আবাহনী।

শনিবার (৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত খেলায় চট্টগ্রাম আবাহনী টসে জয়লাভ করে  রাইজিং স্টার জুনিয়রকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায়।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রাইজিং জুনিয়রের অধিনায়ক আবুল হাশেম রাজাকে আউট করে চট্টগ্রাম আবাহনীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান আবু বক্বর জীবন। ছয় ওভারের মাথায় আউট হয়ে যান অপর ওপেনার ব্যাটসম্যান আব্দুল্লাহ জেসানও। এরপর আল আমিন আর সাদ্দাম হোসাইন মিলে রাইজিংয়ের রান নিয়ে যান ৫০ এর ঘরে। তখনই আবারও রান আউটের কবলে পড়ে আউট হয়ে যান সাদ্দাম। দলীয় ৬৮ রানের মাথায় সাইফুল ও ৭৪ রানের মাথায় আউট হয়ে যান শাহাদাত হোসাইন। তবে একপ্রান্তে অবিচল ছিলেন তাসামুল হক। তিনি ৫১ বলে ৮ চার ও ১ ছয়ে ৫৯ রান করে রাইজিংয়ের স্কোর নিয়ে যান দেড়শ’র ঘরে। মাঝখানে রাইজিং হারায় ৩৬ রান করা আল আমিনকেও। 

তবে রাইজিংয়ের ইনিংস দুইশর কাছাকাছি নিয়ে যান ‘মুরালি বাবু’ খ্যাত আশরাফ হোসাইন। তিনি মাত্র ১৬ বলে ৩টি করে চার ও ছয়ে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন। 

চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে আবু বক্কর ও হান্নান নেন ২টি করে উইকেট। 

Yakub Group

জবাব দিতে নেমে চট্টগ্রাম আবাহনী ৯ রানেই হারায় দুই ওপেনার সাব্বির ও তাইজুলকে। এরপর আবাহনীকে লড়াইয়ে রাখেন যুব বিশ্বকাপজয়ী তারকা শাহাদাত হোসাইন দিপু ও মো. শোয়েব। এ দুজন দলের রান নিয়ে যান  ৮২-তে। তখনই রান আউটের ফাঁদে পড়েন শোয়েব। হান্নান ও জাহিদ জাবেদ এসেও বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি দিপুকে। তখনই মিনহাজ নূরের একমাত্র শিকারে পরিণত হন ম্যাচ সর্বোচ্চ ৬৭ রান করা শাহাদাত দিপু। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৮টি চার ও ২টি ছয়ে। এরপর দলীয় অধিনায়ক সাজ্জাদুল হক রিপন ও আবু বক্কর মিলে চট্টগ্রাম আবাহনীকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান। জয় থেকে ১৩ রান দূরে থাকতে রিপন আউট হয়ে গেলেও আবু বক্কর ১০ নম্বরে নামা ইমরানকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। 

রাইজিং জুনিয়রের হয়ে শাহাদাত হৃদয় ৩টি ও তারেক আজিজ ২টি উইকেট নেন।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm