পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন।
সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বাড়াতে তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন।
৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্বাচনে রাঙামাটি আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে রেকর্ড ১ লাখ ৭০ হাজার অধিক ভোটের ব্যবধানে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, যা রাঙামাটিতে নির্বাচনের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধান।
প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রী হন দীপেন দেওয়ান। তিনি একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং চাঁদপুর জেলার সাবেক যুগ্ম জজ ছিলেন। তার বাবা সুবিমল দেওয়ান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতীয় বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।
২০০৫ সালে যুগ্ম জেলা জজের চাকরি ছেড়ে দীপেন দেওয়ান বিএনপিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি হন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমা।
সোমবার দুপুর সোয়া ১টায় দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।
ডিজে




