পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীর মিলনমেলায় রোববার (১৯ এপ্রিল) দিনভর উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে কেইল দো আমারাল অ্যাম্ফিথিয়েটার। চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশন পর্তুগালের উদ্যোগে ‘নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে বৈশাখী উৎসব ও চাটগাঁইয়া মিলনমেলা’ আয়োজনটি আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের দূতালয় প্রধান এসএম গোলাম সরওয়ার। প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। দিনব্যাপী মিলনমেলায় ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, খেলাধুলা, র্যাফেল ড্র এবং ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের আয়োজন, যা প্রবাসে থেকেও বাঙালির শিকড় ও সংস্কৃতির স্মৃতি জাগিয়ে তোলে।
খাবারের আয়োজনে উঠে আসে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য। পরিবেশন করা হয় নানা ধরনের পিঠা, শিশুদের জন্য বিরিয়ানি এবং অন্যদের জন্য দেশীয় ভর্তা, ভাজা মাছ ও বৈশাখী পান্তা।
প্রবাসে সম্প্রীতির বন্ধন
আয়োজকেরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধন জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানটি সফল করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সংগঠনের নেতারা। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসে বাঙালির ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
আয়োজনের নেপথ্যে
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. মাসুদ রানা ও মো. রিদওয়ান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সাইফুল ইসলাম জয় ও মোজাম্মেল হোসেন। অতিথি বরণে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, আশরাফুল আলম, মো. আলাউদ্দিন ও আহমদুর রহমান। আপ্যায়ন ব্যবস্থাপনায় ছিলেন নাছিরুল আলম সাইমন, আব্দুল্লাহ আল জিহাদ, শ্রী প্রমল দা, ইমদাদুল হক রিফাত, রাফি ও মোহাম্মদ কাইয়ুম উদ্দিন। উপহার ও কুপন বিতরণে দায়িত্ব পালন করেন আবুল কাশেম, হেলাল উদ্দিন, মো. জিয়া উদ্দিন ও মোহাম্মদ শাহিন। ক্রীড়া আয়োজন পরিচালনা করেন তাওহীদুল আলম, পাশা, মো. ইমরান, মানিক ও মুসলেহ।




