চট্টগ্রামের পটিয়ায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে ২২৫ জন নতুন ভোটারকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাতিল করা হয়েছে ৫টি আবেদন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতির সুযোগ নেই। যোগ্য নাগরিকদের অন্তর্ভুক্তি যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি অযোগ্য বা ভুয়া আবেদন প্রতিরোধ করাও জরুরি।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু জাফর সালেহ জানান, মোট ২৩০টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে অনলাইন ও সরাসরি জমা দেওয়ার আবেদনও ছিল। যাচাই শেষে ২২৫ জনকে যোগ্য বিবেচনায় অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে ৫ জন আবেদনকারীকে প্রদত্ত ঠিকানায় খুঁজে না পাওয়ায় তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দ্বৈত ভোটার শনাক্ত ও প্রতিরোধে জাতীয় ডাটাবেজ যাচাইয়ের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে, যাতে কেউ একাধিকবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে না পারে।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, ইউপি সচিব, পটিয়া থানা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ বিশেষ কমিটির সদস্যরা।
সভায় কমিটির সদস্যরা আবেদনগুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে। যাচাই শেষে যোগ্যদের নাম নির্ধারিত ২ নম্বর ফরমে বর্ণিত যোগ্য আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য সুপারিশ করেন।
সভায় উপস্থিত সদস্যরা জানান, ডিজিটাল পদ্ধতির পাশাপাশি সরেজমিন যাচাই জোরদার করায় ভুয়া তথ্য প্রদান ও দ্বৈত নিবন্ধনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমেছে। তারা আশা করছেন, এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য ভোটার তালিকা প্রণয়ন সম্ভব হবে, যা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।
এএইচ




