পটিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর কার্যালয় ভাঙচুর মামলায় আরও ১৫ আসামির জামিন

সদ্য সমাপ্ত পটিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়াতকলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তৃতীয় ধাপে সব আসামি জামিন পেয়েছেন।

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে পটিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৫ জন আসামি আইনজীবীর মাধ্যমে আত্নসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালতের বিচারক বেগম তাররাহুম আহমেদ তাদের জামিন দেন।

জামিন পাওয়া নেতাকর্মীরা হলেন সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (৫৫), নুরুল আজিম হিরু (৫০), মো. রুবেল (৩৪), কপিল উদ্দিন (৩৫), ওমর ফারুক নাজিম (৪৮), মোহাম্মদ আজগর (৪৫), জাহাঙ্গীর আলম (৫৪), মো. জাহাঙ্গীর (৫০), মো. রুবেল (৩৫), দিদারুল আলম (৪৩), শাহ আজিজ (৩৮), ওসমান আলমদার (৫২), ফরিদুল আলম টুটুল (৩৮), বোরহান উদ্দিন চৌধুরী (৩০), মোরশেদ আলম অভি (৩২)।

এর আগে গত ৯ জুন পটিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক বেগম তাররাহুম আহমেদের আদালতে আত্নসমর্পণ করে জামিন পান শহিদুল ইসলাম জুলু (৪৫), সৈয়দ জাবেদ সরওয়ার (৪০), ফজলুল কাদের হিরু (৩৮), আবদুল আলম (৩৫), মো. মন্টু (৫০), মো. মঞ্জুর আলম (৩০), এমদাদ হোসেন মিন্টু (৫৫), নাছির উদ্দিন (৫৫), আবদুল নূর তুথার (৩৪), এনামুল হক মান্টু (৩৫), দিলিল সরকার (৫৩) ও সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী মাইজভাণ্ডারী (৪৮)।

এরপর গত ১০ জুন হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের দ্বৈত বেঞ্চ ১০ আসামিকে ৬ সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন দেন বলে নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তুষার রায়।

হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পাওয়া নেতাকর্মীরা হলেন, মামলার প্রধান আসামি কাওসার হোসেন, সামশুল ইসলাম, রমজান আলী, রমজান আলী সরদার, আবদুল্লাহ আল হারুন, রবিউল আলী রবি, আরিফ নোমান, শাহ জমির, মুজিবুল হক নবাব ও আহমেদ নুর।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুর মিয়া বলেন, ‘তৃতীয় ধাপের পটিয়া উপজেলা নির্বাচনে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বুধবার ১৫ জন আসামি আদালতে আত্নসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তাদের পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত জামিন দেন। এর আগে গত ৯ জুন এ মামলার আরো ১২ আসামি একইভাবে জামিন চাইলে তাদেরও আদালত জামিন দেন। এছাড়াও গত ১০ জুন উচ্চ আদালত থেকে আরও ১০ আসামি আগাম ৬ সপ্তাহের জামিন নেন।’

গত ২৮ মে কুসুমপুরা ইউনিয়নের মেহেরআটি গ্রামের আবদুর রহিম বাবুল বাদি হয়ে এ ঘটনায় পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে পটিয়ার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকা হতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ নেতাকর্মীদের আসামি করে মামলা করা হয়।

ডিজে

ksrm