চট্টগ্রামের পটিয়ায় কবরস্থানে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকা এক নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয়েছে। তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ল্যাংগার দোকানসংলগ্ন কবরস্থান থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত গৃহবধূর নাম সুমী আক্তার (২১)। তিনি উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের উত্তর চরলক্ষ্যা এলাকার মো. আইয়ুব আলীর মেয়ে এবং মো. আব্দুল্লাহর স্ত্রী। পরিবারের ভাষ্য, তিন মাস আগে তার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ঘটনার দিন সকালে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।
স্থানীয়দের দাবি, সুমীকে উদ্ধারের সময় তার পাশ থেকে একটি বিষের বোতল পাওয়া যায়। তবে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষায় বিষপানের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি।
হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনই নির্ণায়ক হবে।
অপরদিকে একইদিন দুপুরে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের ছবির মার্কেট এলাকার আনোয়ার শাহ মাজারসংলগ্ন নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন এক গৃহবধূ।
নিহত গৃহবধূ সোনিয়া আক্তার (৩০) নুর ইসলামের স্ত্রী।
পুলিশ জানিয়েছে, সোনিয়ার মৃত্যুর ঘটনাটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে পারিবারিক বিরোধ, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, দুটি ঘটনায় পৃথকভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সুমীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে দুই পরিবারের সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন, ঘটনাস্থলের আলামত এবং সাক্ষ্য প্রমাণ বিশ্লেষণের পরই দুই নারীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এএইচ/ডিজে




