পটিয়ায় এক প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, অপেক্ষায় এলডিপির এয়াকুব

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ডা. এমদাদুল হাসান দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। একইসঙ্গে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপি নেতা এম এয়াকুব আলীর প্রার্থিতা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষায় আছেন। তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেলে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নতুন মোড় নেবে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমানের কাছে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ডা. এমদাদুল হাসান মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন।

ডা. এমদাদুল হাসান বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং বৃহত্তর জোটের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পটিয়ার মানুষ যেন শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব পায়—সেটিই আমাদের লক্ষ্য।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে।

এর ফলে পটিয়ার নির্বাচনী মাঠে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন মোট সাতজন প্রার্থী। তারা হলেন—বিএনপির এনামুল হক এনাম, জামায়াতে ইসলামীর ডা. ফরিদুল আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এস এম বেলাল নুর, জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব পার্টির মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাখাওয়াত হোসাইন।

তবে নির্বাচনী সমীকরণে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী এলডিপি নেতা ও শিল্পপতি এম এয়াকুব আলীর প্রার্থিতা নিয়ে। হাইকোর্ট সূত্রে জানা গেছে, তার মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট পিটিশনের আদেশ আগামীকাল বুধবার দেওয়ার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে এম এয়াকুব আলী বলেন, আমার মনোনয়ন বাতিল সম্পূর্ণ বেআইনি ও সংবিধানবিরোধী। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করার এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমি আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাব।

এএইচ/ডিজে

ksrm