নিয়োগ দুর্নীতি, রেল পূর্বাঞ্চলের সাবেক জিএমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপকসহ (জিএম) পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৭ সালে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সিপাহী নিয়োগে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুদক।

রোববার (২৮ আগস্ট) দুপুরে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। পরে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ দপ্তরে মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

মামলার পাঁচ আসামি হলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়োগ কমিটির সদস্য ও বর্তমানে চিফ কমান্ড্যান্ট (পূর্ব) রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী মো. জহিরুল ইসলাম (৫১), চট্টগ্রাম বিভাগের সাবেক কমান্ড্যান্ট, নিয়োগ কমিটির সদস্যসচিব ও বর্তমানে চিফ কমান্ড্যান্ট (পশ্চিম) রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর মোহাম্মদ আশাবুল ইসলাম (৩৯), বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিম) নিয়োগ কমিটির সদস্য, সাবেক কমান্ড্যান্ট ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বর্তমানে সহকারী সচিব ফুয়াদ হাসান পরাগ, বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের এসপিও মো. সিরাজ উল্যাহ ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ ফারুক আহমেদ (৬০)।

এছাড়া পূর্ব রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাবেক চিফ কমান্ড্যান্ট মো. ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানকালে অপরাধ প্রমাণিত হয়। কিন্তু তিনি মারা যাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের আরএনবির সিপাহী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ১৮৫ জন কর্মচারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে ক্ষমতা অপব্যবহার করে পোষ্য ও মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের অনুত্তীর্ণ করা হয়। সেখানে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়। একইভাবে ওই নিয়োগের বিভাগীয় কোটা, জেলা কোটা ও অন্যান্য কোটাও মানা হয়নি।

Yakub Group

ওই নিয়োগে অন্তত ৭৮ জন কোটা প্রার্থীর সঙ্গে এই অন্যায় আচরণ করা হয়। ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাসহ দন্ডবিধি ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয় পাঁচজনের বিরুদ্ধে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপপরিচালক মো. সিরাজুল হক চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘তদন্তে এ মামলায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ পেলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ উপপরিচালক (ডিডি) মো. নাজমুচ্ছায়াদাত বলেন, ‘মামলাটি দুদক প্রধান কার্যালয়ের। তদন্তের স্বার্থে এটি সজেকা-১ এ রেকর্ড করা হয়েছে।’

এমএ/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm