জামালপুরের পর চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) থেকে এবার করোনাভাইরাস পরীক্ষার ‘আরটি পিসিআর মেশিন’ ধার যাচ্ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে। ত্রুটিপূর্ণ মেশিন মেরামতের জন্য ঢাকায় পাঠানোর পর সিভাসু থেকে নেওয়া ধারের এই মেশিনের ওপর ভর করে করোনা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছে চট্টগ্রামের প্রধান এই হাসপাতাল।
চমেক হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা চালুর আগেই পিসিআর মেশিনের ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় রোববার (৩ মে) সেটি ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় মেরামতের জন্য। আর তাতে অনিশ্চয়তায় পড়ে করোনার নমুনা পরীক্ষার।
এমন অবস্থায় সোমবার (৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও টেকনিক্যাল কমিটি ল্যাবরেটরি ইনভেস্টিগেশন কোভিড-১৯ এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সিভাসু উপাচার্যকে ‘আরটি পিসিআর মেশিন’ চমেক হাসপাতালে পাঠাতে অনুরোধ জানানো হয়।
শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘সিভাসুর পিসিআর মেশিনটা কালকেই চমেক হাসপাতালে পাঠাবে।’
আগামীকাল ৫ মে সকালে সিভাসু থেকে চমেক হাসপাতালে পৌঁছে যাবে ধারে দেওয়া আরটি পিসিআর মেশিনটি।
সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর গৌতম বুদ্ধ দাশ চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘যেহেতু উনাদের (চমেক) মেশিনটা নষ্ট হয়ে গেছে। ডিজি অফিস থেকে রিকোয়েস্ট করেছে। আমার সচিবও বললেন। আমার একটা এক্সট্রা আছে, সেটাই দিচ্ছি সাময়িকভাবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় যখন খুলবে তখন তো লাগবে আমাদের। কোভিড-১৯ যতদিন আছে ততদিন তো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। ততদিন পর্যন্ত তারা ব্যবহার করতে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘এটা আমরা দান করি নাই। অস্থায়ীভাবে দিয়েছি। যদি এর মধ্যে তাদের মেশিন চলে আসে, তখন তারা আমাদেরটা দিয়ে দিবে। যত তাড়াতাড়ি কাজ হয়, এটা হল কথা। মেশিন আসতে ১৫ দিন লাগতে পারে আবার ২০ দিনও লাগতে পারে। সে পর্যন্ত আমরাও চাই কাজ হোক।’
এসআর/সিপি




