গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের পর থেকে ভাইরাসটির সংক্রমণ এবং এতে মৃত্যু বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। মৃত্যুর সেই মিছিলে গত ২৪ ঘণ্টায় যোগ হয়েছেন আর ৪২ জন। পাশাপাশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৮৯৭ জন। তবে এসবের ভেতরও আশার কথা হলো, করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ৪৪ জন নিয়ে দেশে এমন সুস্থ রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনায় দেশে রোববার পর্যন্ত চার হাজার ২৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হিসেবে মোট তিন লাখ ১০ হাজার ৮২২ জন শনাক্ত হলেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন দুই লাখ এক হাজার ৯০৭ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনাক্তের হার ২৪ ঘণ্টায় ১৫ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত ২০ দশমিক ২১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
অধিদফতরের এমআইএসের (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) তথ্যানুযায়ী জানানো হয়, দেশে বর্তমানে ৯২টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১২ হাজার ১২০টি আর পরীক্ষা হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৪টি। এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৭৪৯টি।
মারা যাওয়া ৪২ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৫ আর নারী সাত জন। এখন পর্যন্ত মারা যাওয়াদের তিন হাজার ৩৩৫ জন পুরুষ এবং ৯১৩ জন নারী। যা কিনা শতাংশের হিসেবে পুরুষ ৭৮ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং নারী ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিন জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে নয় জন এবং ৬০ বছরের বেশি রয়েছেন ২৪ জন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৮, চট্টগ্রামে আট, রাজশাহীতে তিন, খুলনায় সাত, রংপুরে পাঁচ ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন। তারা সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া তিন হাজার ৪৪ জনের ভেতরে ঢাকা বিভাগে এক হাজার ৫০৭, চট্টগ্রামে ৬০২, রংপুরে ১৭০, খুলনায় ২১০, বরিশালে ৩২, রাজশাহীতে ১৬৭, সিলেটে ২৫৫ জন এবং ময়মনসিংহ ১০১ জন বিভাগে সুস্থ হয়েছেন।
এমএহক




