আক্রান্ত
১৫২১৬
সুস্থ
৩১৯৬
মৃত্যু
২৪৫

দেশের হজযাত্রীদের জন্য ৮ জরুরি সিদ্ধান্ত সরকারের

0

বাংলাদেশসহ বিশ্বের কোনো দেশের নাগরিকই এবার আর হজে অংশ নিতে পারছেন না। সৌদি আরবে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এ মৌসুমে হজে অংশ নিতে পারলেও সেই সংখ্যা হবে সীমিত। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জনের হজে যাওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার বাংলাদেশ থেকে ৬৪ হাজার ৫৯৪ জন হজে যেতে আগ্রহী ছিলেন। সৌদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণে তাদের হজে যাওয়া হচ্ছে না।

এদিকে পবিত্র হজ পালনের জন্য যারা প্রাক-নিবন্ধিত ও নিবন্ধিত হয়েছিলেন, তাদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় মোট আটটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রোববার (১২ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের হজ অনু বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে—

১. ২০২০ সালে পবিত্র হজ পালনের জন্য যাদের প্রাক-নিবন্ধনের মেয়াদ বৈধ ছিল তা ২০২১ সালের জন্য বলবৎ থাকবে।

২. সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনার যেসব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তি ২০২০ সালের হজের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন তাদের নিবন্ধন ২০২১ সালের জন্য বৈধ থাকবে। নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

৩. ২০২০ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল বিষয়ে ই-হজ সিস্টেমের ওপর সকল ব্যাংকের প্রতিনিধি, নিবন্ধন কেন্দ্রের প্রতিনিধি এবং হজযাত্রী নিবন্ধনকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের ১৩ জুলাই থেকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পবিত্র হজ পালনের জন্য সরকারি ও বেসকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনো হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল করতে চাইলে হজ পাের্টালে বা হজযাত্রীদের প্রাক্‌-নিবন্ধন সিস্টেমে নিজে বা নিবন্ধন কেন্দ্র থেকে আবেদন করতে পারবেন।

৪. আবেদন অনুমােদিত হলে তার অনুকূলে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার তৈরি হবে এবং ২০২০ সালের নিবন্ধন ও প্রাক-নিবন্ধন উভয়ে বাতিল হবে। ভবিষ্যতে হজে যেতে চাইলে নতুন করে প্রাক-নিবন্ধন এবং নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তিকে কোনো প্রকার কর্তন ব্যতীত তার প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

৫. সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তির ক্ষেত্র সােনালী ব্যাংক থেকে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ অনলাইনে সরাসরি হজযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। কোনো হজযাত্রীর ব্যাংক হিসাব না থাকলে আর ইচ্ছানুযায়ী পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশােধ করা হবে। এ জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

৬. বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ হজযাত্রীর অনুযায়ী সরাসরি নিবন্ধনকারী ব্যাংক থেকে অনলাইনে হজযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর অথবা এজেন্সির মাধ্যমে প্রদান করা হবে। একেক নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত অর্থ আগের মতো পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা থেকে হজযাত্রীর ইচ্ছানুযায়ী সরাসরি তাকে অথবা এজেন্সির মাধ্যমে ফেরত প্রদান করা হবে।

৭. নিবন্ধিত হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের সময় জমাকৃত অর্থ, কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশে ব্যয় করা হবে না এবং সৌদি আরবেও পাঠানো যাবে না। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ব্যতীত কোনো এজেন্সি ব্যাংক থেকে এ টাকা উত্তোলন করতে পারবে না। ২০২০ সালে নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্য সাথে সমন্বয় করা হবে।

৮. ২০২০ সালে নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা যেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনো এজেন্সি তুলতে না পারে সে ব্যাপারে হজযাত্রী নিবন্ধনকারী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপকদের দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরােধ করা হলো। ব্যাংক কর্মকর্তারা হজ নিবন্ধন বাতিলকারীর অর্থ ছাড় করার আগে যাত্রীদের পরিচয়পত্রের সঙ্গে ভাউডারের নিশ্চিত করে নেবেন।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm