আক্রান্ত
৩৫৩৭
সুস্থ
২৪৮
মৃত্যু
৮৫

দেশের শীর্ষ ১০ ঋণখেলাপির তিনটি চট্টগ্রামের, দুটিই শাহাবুদ্দিনের

0

দেশের শীর্ষ ১০ ঋণখেলাপির তিনটিই চট্টগ্রামের। এ তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট পাওনার পরিমাণ দুই হাজার ৫৮১ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠান তিনটি হচ্ছে সামানাজ সুপার অয়েল (এক হাজার ৪৯ কোটি টাকা), মাহিন এন্টারপ্রাইজ (৮২৫ কোটি) এবং এসএ অয়েল রিফাইনারি (৭০৭ কোটি)। এর মধ্যে সামানাজ সুপার অয়েল সারা দেশেই শীর্ষে অবস্থান করছে ঋণখেলাপির তালিকায়।

সামানাজ সুপার অয়েল ও এসএ অয়েল রিফাইনারি—এ দুটি প্রতিষ্ঠান এসএ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম শাহাবুদ্দিন আলমের মালিকানাধীন। এ দুটো প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। গত বছরের ১৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের ইপিজেড থানায় করা ব্যাংক এশিয়ার একটি ঋণ জালিয়াতির মামলায় শাহাবুদ্দিন আলমকে ঢাকার গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সংসদে দেওয়া অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ১০ ঋণখেলাপির মধ্যে আরও রয়েছে গাজীপুরের গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডায়িং (৯৮৪ কোটি), ঢাকা সাভারের রিমেক্স ফুটওয়্যার (৯৭৬ কোটি), ঢাকার কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম (৮২৮ কোটি), ঢাকার রূপালী কম্পোজিট (৭৯৮ কোটি), ঢাকার ক্রিসেন্ট লেদার ওয়্যার (৭৭৬ কোটি), গাজীপুরের সুপ্রভ কম্পোজিট নিট (৬১০ কোটি) এবং গ্রামীণ শক্তি (৬০১ কোটি)।

শনিবার (২২ জুন) সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের (নওগাঁ-৬) প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেন। এই শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপির কাছে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাওনা আছে ৭০ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫০ হাজার ৯৪২ কোটি টাকা।

মন্ত্রী একইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন, এমন ১৪ হাজার ৬১৭ জনের পূর্ণাঙ্গ তথ্যও দিয়েছেন। সংসদে তিনি জানান, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন ১৪ হাজার ৬১৭ জন। তাদের নেওয়া ঋণের মোট পরিমাণ ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। তাদের মোট ঋণের মধ্যে বড় একটি অংশ খেলাপি রয়েছে। এর পরিমাণ এক লাখ ১৮৩ কোটি টাকা।

মন্ত্রী জানান, গত ৩৯ মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ২১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ সময়ে ঋণ খেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ৫৮ হাজার ৪৩৬ জন।

সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা খানের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে ঋণখেলাপির সংখ্যা ছিল এক লাখ ১১ হাজার ৯৫৪ জন এবং তাদের কাছে ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। আর ডিসেম্বর ২০১৮ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপির সংখ্যা এক লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ এবং অর্থের পরিমাণ এক লাখ ২ হাজার ৩১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

Manarat

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm