বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন বলেছেন, আমাদের নেতা গণতন্ত্রের মহানায়ক তারেক রহমান প্রায় দুই যুগ পর চট্টগ্রামে আসছেন। এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিএনপির সকল নেতাকর্মীকে ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। চট্টগ্রামের প্রতিটি এলাকায় জনসাধারণ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে এই বার্তাটি পৌঁছে দিতে হবে। আমরা অত্যন্ত সফলভাবে চট্টগ্রামে তারুণ্যের সমাবেশ করেছি—এটি আমাদের ঐক্য ও সক্ষমতার প্রমাণ।
তিনি আরও বলেন, আগামী ২৫ জানুয়ারি পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসমুদ্রের ইতিহাস সৃষ্টি হবে। স্বৈরশাসনামলে আমাদের দলের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হয়েছেন, কিন্তু কখনও রাজপথ ছেড়ে যাননি। তারা অসংখ্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন কখনও প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব করেননি। ধানের শীষের পক্ষে দলের প্রতিটি নেতাকর্মী আজ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে কর্ণফুলী উপজেলার একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি।
ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন বলেন, ধানের শীষ বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রতীক এটি কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। ধানের শীষের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকবে। তারেক রহমান আমাদের নেতা; তিনি কখনও দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করবেন না। যারা দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ, দুঃসময়ের কাণ্ডারী ও ত্যাগী নেতাকর্মী ছিলেন—তারা ভবিষ্যতে অবশ্যই মূল্যায়িত হবেন। তারেক রহমান তাদের যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবেন।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়ার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম-১২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, জামাল হোসেন, মুজিবুর রহমান, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু, জেলা বিএনপির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ, সদস্য আমিনুর রহমান চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির, লোকমান, হাজি রফিকুল আলম, রফিক, সাজ্জাদুর রহমান, সরোয়ার হোসেন মাসুদ, জাগির আহমদ, আমিনুল ইসলাম।
আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মহসিন চৌধুরী রানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনজুর আলম তালুকদার, জেলা বিএনপির সদস্য মোজাম্মেল হক বেলাল, সালাউদ্দিন চৌধুরী সোহেল, শেফায়ত উল্লাহ চক্ষু, ফৌজুল কবির ফজলু, ইখতিয়ার হোসেন চৌধুরী ইফতু, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, দিল মোহাম্মদ মনজু, এম মনছুর উদ্দিন, মোহাম্মদ ফারুক হোসাইন, সালেহ জহুর, দেলোয়ার আজিম, শাহাদাত হোসেন সুমন ও দেলোয়ার হোসেন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রবিউল হোসেন রবি, জাসাসের আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুন নাঈম চৌধুরী রিকু, ওলামা দলের সদস্য সচিব জাবের আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা ফোরকান, কৃষক দলের সদস্য মীর জাকের আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সুমন, জাসাসের সদস্য সচিব নাছির উদ্দিন, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, জেলা ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মিন মনির শাখাওয়াত হোসেন ও মোফাচ্ছল হোসেন জুয়েল।
ডিজে




