s alam cement
আক্রান্ত
৩২৫৭৮
সুস্থ
৩০৪৬৫
মৃত্যু
৩৬৭

ডিসেম্বরের শেষেই চট্টগ্রাম সিটির ভোট, জানালো নির্বাচন কমিশন

আগের প্রার্থীরাই বহাল থাকবেন

0

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্থগিত হয়ে থাকা নির্বাচন ডিসেম্বরের শেষের দিকে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তবে কমিশন এও বলছে, ডিসেম্বরের শেষে না পারলে ভোটের তারিখ পিছিয়ে জানুয়ারির শুরুতেও হতে পারে। ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের ২৯ মার্চ। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এ নিয়ে একটু আলোচনা করেছে। নির্বাচনটি যথাসময়ে হবে। কিন্তু কোনো তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরের শেষ দিকে সম্ভাবনা রয়েছে। তা না হলে জানুয়ারির প্রথম দিকে হবে। নির্দিষ্ট তারিখ বলতে পারব, যখন কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।’

Din Mohammed Convention Hall

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে বর্তমান প্রার্থীরাই বহাল থাকবেন এবং যেখানে ভোট স্থগিত হয়েছিল সে অবস্থা থেকে নির্বাচন হবে। তবে মৃত্যুজনিত যেসব পদ এর মধ্যে শূন্য হয়েছে, তাদের বিষয়ে কমিশন পরে সিদ্ধান্ত নেবে বলে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘কমিশনে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সিডিউল তো ঘোষণা করেছিল, স্থগিত রয়েছে। এখন স্থগিতাদেশটা প্রত্যাহার করে পরবর্তীতে ভোটের শুধু তারিখটা দেওয়া হবে। ওখানে আর কিছু নেই। ডিসেম্বরে ভোট হতে পারে।’

গত ৬ আগস্ট মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করতে না পারায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে প্রশাসক হিসেবে খোরশেদ আলম সুজনের মেয়াদ শেষ হবে। চলতি বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই প্রশাসকের মেয়াদ ৯০ দিন পূর্ণ হতে যাচ্ছে।

স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন সাতজন। এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ৫৫ পদে ২৬৯ প্রার্থী রয়েছেন ভোটে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান প্রার্থীরাই বহাল থাকবেন। যে অবস্থায় ভোট স্থগিত হয়েছিল সে অবস্থা থেকেই নির্বাচন হবে। তবে মৃত্যুজনিত যেসব পদ এর মধ্যে শূন্য হবে সে বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

চট্টগ্রাম সিটির মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী (নৌকা), বিএনপির শাহাদাত হোসেন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন (মিনার), এনপিপির আবুল মনজুর (আম), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র খোকন চৌধুরী (হাতি)।

সিপি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm