রাঙ্গুনিয়া-৭ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতের প্রার্থী ডা. এটিএম রেজাউল করিমের সমর্থনে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার উত্তর রাঙ্গুনিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মো. নুরুল আবছার।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আর রাজনৈতিক নেতা নামধারী লুটেরাদের ভোট দেবে না। ঋণখেলাপি, ডাকাত, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মানুষ জেগে উঠেছে। মোদি ও ‘র’ এর দালাল চোরদের বিরুদ্ধে রাঙ্গুনিয়ার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অলি আহমদ বলেন, একটি দল নির্বাচনে ভোটারদের সাথে প্রতারণা শুরু করেছে। প্রতারণার ফাঁদ হিসাবে সিনেমার কার্ড বিতরণ করছে। এটি ফ্যামিলি কার্ড নয়, সিনেমার কার্ড। আর কত জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করবেন। সরকার গঠন না করেই কার্ড বিতরণ মানেই জনগণকে বোকা বানানোর কৌশল।
অলি আহমদ বলেন, জামায়াতে ইসলামী মার খায়, মাল খায় না। আর দেশের বড় দল বলে দাবিদার নেতারা মাল খায়, মার খায় না। মাল খাওয়া নেতারা আবারো সেজেগুজে বসে আছেন ক্ষমতায় গিয়ে মাল খাওয়ার জন্য। দেশের মানুষ মাল খাওয়া নেতাদের চিনে রেখেছেন। সুতরাং আপনাদের খাওয়া আর লুটপাট করার সুযোগ হবে না। জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন, দেশের টাকা ও সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে লুটের টাকা ও সম্পদ বের করে নিবেন। এরপরও ডাকাত, লুটেরার দল বিএনপি নেতাদের হুশ ফিরছে না।
তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়ার মানুষ আর কত বছর ভাড়াটিয়াদের কাছে ক্ষমতারভার দিবেন। ডা. এটিএম রেজাউল করিমের মত একজন যোগ্য মানুষকে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী করে ভাড়াটিয়াদের বিতাড়িত করতে হবে। রাঙ্গুনিয়ার মান, সম্মান উন্নত করতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় এ্যাসিটেন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, চাকসু ভিপি ইব্রাহীম রনি, অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, অধ্যক্ষ আ ম ম শামসুল আলম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন জামায়াত নেতা রাশেদুল ইসলাম তালুকদার।




