ঝুঁকির কারণে বন্দরে পণ্য উঠানামা হয়নি, জাহাজ ভিড়বে সকালে

0

শুরুতে আশাবাদ রাখলেও শেষপর্যন্ত অনেক চেষ্টা করেও বহির্নোঙ্গরে অপেক্ষমাণ জাহাজগুলোকে বন্দরের জেটিতে ভেড়ানো যায়নি। জোয়ারের উচ্চতার কারণে পাইলটরা কাজ করতে পারেননি। ঝুঁকি ছিল জীবনেরও। এ কারণে বন্দরে পণ্য উঠানামার কাজ শুরু হয়নি। কর্মকর্তারা আশা করছেন, রোববার (৫ মে) সকাল থেকে জাহাজগুলোকে বন্দরের জেটিতে ভেড়ানো যাবে।

শনিবার (৪ মে) রাত সাড়ে নয়টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের উপ-সংরক্ষক ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘রাত আটটার দিকে আমরা অনেক চেষ্টা করেও বহির্নোঙ্গরে অপেক্ষমাণ জাহাজগুলোকে বন্দরের জেটিতে ভিড়াতে পারিনি। আমরা পাইলট পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু জোয়ারের উচ্চতার কারণে পাইলটেরা কাজ করতে পারেনি। তাদের জীবনের ঝুঁকি ছিল। তাই বন্দরে পণ্য উঠানামার কাজ শুরু হয়নি। আশা করি, রোববার (৫ মে) সকাল থেকে আমরা জাহাজগুলোকে বন্দরের জেটিতে ভিড়াতে সক্ষম হবো।’

বহির্নোঙ্গরের মোট ২১টি জাহাজ অপেক্ষমাণ আছে বলে জানান তিনি।

এর আগে ‘ফণী’র প্রভাবে বন্ধ থাকার ৩৮ ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম বন্দর চত্বর থেকে আমদানি পণ্য খালাস শুরুর কথা জানানো হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় ফণীর মোকাবেলায় বৃহস্পতিবার সকালের জেটিতে অবস্থান করা জাহাজগুলো গভীর সাগরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ওই সময় জাহাজ থেকে পণ্য উঠা-নামা বন্ধ হয়ে যায়। আর ওই দিন রাত ১২টার দিকে বন্দর চত্বর থেকে ট্রাকে বা কাভার্ড ভ্যানে পণ্য খালাস কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যায়। ফণী’র প্রভাব কেটে যাওয়ায় শনিবার (৪ মে) দুপুর দুইটার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার বলছে, ‘চট্টগ্রাম বন্দরে গড়ে দৈনিক ২০টি জাহাজ আমদানি পণ্য নিয়ে আসে। এর মধ্যে গড়ে ১০টি জাহাজ রপ্তানি পণ্য নিয়ে যায়। পবিত্র শব-ই-বরাত, মে দিবস, সাপ্তাহিক ছুটি এবং ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে চার দিন বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরে সাত দিন কর্মকান্ড ব্যাহত হয়েছে। যে কারণে বহির্নোঙ্গরে ১৭টি কন্টেইনার জাহাজসহ বেশ কিছু জাহাজ বহির্নোঙ্গরে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, ঘূর্নিঝড় ফণীর কারণে জেটি নিরাপত্তার জন্য সাতটি জাহাজ রপ্তানী পণ্য ছাড়াই বহির্নোঙ্গরে পাঠানো হয়েছে।’

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন