জামায়াত আমিরের বক্তব্যে মেয়র শাহাদাতের ‘বিস্ময়’, ফ্যাসিজমকে সাপোর্ট করার অভিযোগ

এটি ‘লং মার্চ’ নয়, ‘লং ড্রাইভ’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনকে ‘মেয়াদোত্তীর্ণ’ বলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ‘বিস্ময়’ প্রকাশ করে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন শাহাদাত। তার দাবি, এ বক্তব্যের মাধ্যমে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচিত মেয়র রেজাউল করিমকে বৈধতা দেওয়ার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের ‘ফ্যাসিজমকেও অনেকটা সাপোর্ট’ করা হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের সমাপনী সমাবেশে মেয়র শাহাদাতের মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জামায়াত আমির। তার বক্তব্যের পর রাত ১২টার পর নিজের ফেসবুক পেজে ছয় মিনিটের ভিডিও বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানান শাহাদাত।

মেয়র বলেন, নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে করা মামলার রায়ে তাকে মেয়র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের রায়, গেজেট প্রকাশ ও শপথের মাধ্যমে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। তাই তাঁর মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত বলেও দাবি করেন তিনি।

শাহাদাতের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নির্বাচিত রেজাউল করিমের মেয়র পদ ও মেয়াদ আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ জামায়াত আমিরের বক্তব্যে ওই সময়কেই বৈধতা দেওয়া হয়েছে।

তবে আদালতের রায়ে নিজের মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকলেও নির্বাচনের প্রশ্নে আপত্তি নেই বলে জানান শাহাদাত। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেই তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে স্বাগত জানাবেন।

লালদীঘির সমাবেশে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেছিলেন, জনগণের ভোটে আবার নির্বাচিত হয়ে এলে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার আপত্তি নেই। তবে জনগণ অন্য কাউকে নির্বাচিত করলে সেটিও মেনে নিতে হবে।

এদিকে ওই সমাবেশের কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে শাহাদাত বলেন, এটি ‘লং মার্চ’ নয়, বরং ‘লং ড্রাইভ’।

এএইচ/ডিজে

ksrm