জলাবদ্ধতা ও মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের উদ্বেগ

চট্টগ্রাম নগরে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরাম’।

২৯ এপ্রিল, বুধবার সংগঠনের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, কয়েক বছর ধরে মেগাপ্রকল্পে কাজ চলছে, অগ্রগতি হয়েছে অনেক, কিন্তু সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে জনগণ এই প্রকল্পের সফলতা চূড়ান্তভাবে দেখতে পারছে না জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০১৫ সাল থেকে চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের জনমত গঠন ও আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে তৎকালীন সরকার মেগা প্রকল্পের জন্য ৯০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল। বর্ষাকাল আসার আগেই যেন চট্টগ্রাম মহানগরীর খাল এবং উপখালগুলোর উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ শেষ করা হয় সেজন্য আমরা বারবার নাগরিক ফোরামের পক্ষ থেকে দাবি জানিয়ে আসছি।

বিবৃতিতে বলা হয়, মেগাপ্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে শেষ করা, এ বিষয়ের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং সিটি করপোরেশন, সেনাবাহিনীর টিম, সিডিএ, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে সমন্বয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কনভেনশন করা হয়েছিল ফোরামের পক্ষ থেকে। সেখানে এসব প্রতিষ্ঠানের মেয়র, চেয়ারম্যানরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও সমন্বয় এবং জবাবদিহিতার এখনো ঘাটতি রয়েছে।

কিছুদিন আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলেছিলেন, এপ্রিল মাসের মধ্যে যেসব খালের কাজ চলছে সেগুলোর বাঁধ খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু এ বিষয়ে কতটুকু পদক্ষেপ আসলেই নেওয়া হয়েছে, তা জনগণকে অবগত করা হয়নি। সিডিএর কর্মপরিকল্পনার অভাবে জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে বলে আমরা মনে করি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হাজার কোটি টাকা খরচ করে মেগা প্রকল্পের এত কাজ করার পরও কোথায় কোথায় এখনো জলবদ্ধতা হচ্ছে, কেন হচ্ছে, তা নিরসনের জন্য জলাবদ্ধতা চলাকালীন সময়ে সরেজমিন পরিদর্শন করে, তথ্য সংগ্রহ করে, জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

ksrm