ছাত্রলীগ নেতা ইমন হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফে

0

কক্সবাজার শহরে ছাত্রলীগ নেতা ইমন হাসান মওলা হত্যার মূলহোতা আব্দুল্লাহ খান ওরফে আব্দু খানকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। একইসঙ্গে ইমনের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া সেই মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়।

রোববার (২৪ জুলাই) সকালে টেকনাফের কুচবনিয়া এলাকা থেকে আব্দুল্লাহ খান (২৭) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১৫ এর একটি দল। তিনি কক্সবাজার শহরের পেশকারপাড়া এলাকার খাইরুল আহমদের ছেলে।

গ্রেপ্তারের পর আব্দুল্লাহ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় র‌্যাব।

এর আগে গত ২১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের পেশকারপাড়া সংলগ্ন বাঁকখালী নদীর সিকো বরফ কল পয়েন্টে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন ইমন। পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টায় তার মৃত্যু হয়। ইমন কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এদিকে রোববার (২৪ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় আটজনকে আসামি এবং সাত-আটজনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে মামলা দায়ের করেন ইমনের বাবা মোহাম্মদ হাসান।

Yakub Group

মামলার আসামিরা হলেন আব্দুল্লাহ খান ওরফে আব্দু খান, রমজান আলী, আব্দুল্লাহ আহাদ ছোটন, ছৈয়দ আকবর, মুন্না (কালা মুন্না), মোহাম্মদ সানি, মোহাম্মদ জুয়েল ওরফে ফরহাদ ও মোহাম্মদ তৌহিদ।

মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন।

র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।’

আসামির বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার শহরে ইমনের বাবার একটি দোকান রয়েছে। গত সাত থেকে আট মাস আগে সেই দোকানে ইমনের বাবার সঙ্গে আব্দুল্লাহ খান ও তার সহযোগীদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে ইমন ও আব্দুল্লাহ খানের সহযোগীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ মারামারির ঘটনার প্রতিশোধ নিতে আব্দুল্লাহ খান পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২১ জুলাই রাতে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন।’

ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ksrm