চোরাচালানে সম্পৃক্ততার মামলায় এসএ পরিবহনের ৩ কর্মকর্তা কারাগারে

কাস্টমস গোয়েন্দার ওপর হামলার চেষ্টা ও চোরাচালানে সম্পৃক্ততার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এসএ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিসের তিন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ মে) চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ ড. আজিজ আহমেদ ভুঁইয়ার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন এসএ পরিবহনের চট্টগ্রাম অফিসের জেনারেল ম্যানেজার মোরশেদুল আলম চৌধুরী, খাতুনগঞ্জ শাখার ম্যানেজার মাহবুবুর রহমান ও কাজীর দেউরি শাখার ম্যানেজার আবদুল করিম বাচ্চু।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক উত্তর চাকমা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রামে কাজির দেউড়ি এলাকায় এসএ পরিবহনের সামনে একটি কাভার্ডভ্যান আটক করে। ওই কাভার্ডভ্যানে ১২৮ বস্তা এবং ২২৮ রোলে ৮ হাজার ৬১২ কেজি নিট ফেব্রিক্স পাওয়া যায়। এসব পণ্যের মালিকানা দাবি করেন মো. নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। ওইসব কাপড় পরীক্ষা ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে কাস্টমস গোয়েন্দারা প্রমাণ পায়, এসব আমদানিকৃত বন্ড কাপড় পাচার করা হচ্ছিল। এক্ষেত্রে সরাসরি ট্রাকে বহন না করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছিল।

জব্দ করা কাপড়ের শুল্কায়ন মূল্য ছিল ২৭ লাখ ৪৭ হাজার ৯৯ টাকা এবং শুল্ক করের পরিমাণ ছিল ২৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৮ টাকা। যা ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

কিন্তু কাজির দেউড়িতে ট্রাকটি জব্দ করার পর কাস্টমস গোয়েন্দাদের ঘেরাও করে হামলার চেষ্টা চালায় এসএ পরিবহনের লোকজন। এই সময় কাস্টমস গোয়েন্দারা সহযোগিতা চাইলে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। এই ঘটনায় কাস্টমস গোয়েন্দার পক্ষ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

আইএমই/ডিজে

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!