চট্টগ্রামের কোতোয়ালীর আসকার দীঘির পারের একটি বাসা থেকে ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে চোরের দল। সেই স্বর্ণ বিক্রি করে চক্রের মূলহোতা কিনেন শখের ‘রয়েল এনফিল্ড’ বাইক। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। শখের বাইক, মুঠোফোন ও নগদ টাকাসহ চার চোর গ্রেপ্তার হয়েছে নগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর দামপাড়া সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি পশ্চিম বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান।
গ্রেপ্তার চারজন হলেন—ফেনী জেলার সোনাগাজী থানার ডুমুর এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ জসিম, নওগাঁ জেলার সদর থানার শেরপুর এলাকার আমজাদ হোসেন বাবুলের ছেলে মোস্তাকিন হোসেন মিঠু, পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের ইদ্রিস চেয়ারম্যানের বাড়ির সাধন দাসের ছেলে সেতু দাস ওরফে সালাহউদ্দিন এবং কোতোয়ালি থানা এলাকার উত্তর নালাপাড়া এলাকার মোহাম্মদ ইসমাইল।
ডিবি জানায়, গত ৫ ডিসেম্বর নগরীর আসকারদীঘি এলাকার একটি বাসা থেকে ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও একটি ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটে। বাসার মালিক মামলা দায়ের করলে তদন্তে নামে ডিবি পুলিশের একটি দল। একপর্যায়ে সোমবার টাইগারপাস এলাকা থেকে চোরচক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, অপর সদস্যদেরও গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় চুরি যাওয়া ল্যাপটপ, চুরি করা স্বর্ণ বিক্রি করে সাড়ে চার লাখ টাকায় কেনা মোটরসাইকেল এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
উপ-কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান বলেন, সালাহউদ্দিন এই চুরির ঘটনার মূলহোতা। চুরি করা স্বর্ণালঙ্কার টেরিবাজার এলাকার একটি দোকানির কাছে বিক্রি করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে, সেখানে অভিযান চালানো হলে দোকানি দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তার এবং চোরাই স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মোবাইল চুরির থেকে উদ্ধারের পরিমাণ কম কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, মোবাইল চুরি হওয়ার পরে কয়েকবার হাত বদল হয়। এরপর এসব চুরি হওয়া মোবাইলের আইএমইআই পরিবর্তন করা হয়। সেই সঙ্গে পুলিশের ব্যর্থতার কথাও শিকার করেন তিনি।
এএএম/ডিজে




