আক্রান্ত
১১৭৬৪
সুস্থ
১৪১৪
মৃত্যু
২১৬

চসিকের ভাগাড়ে ১০ টন পেঁয়াজ, গুদামে পঁচল নাকি আমদানিতে?

0
high flow nasal cannula – mobile

পেঁয়াজের দামের লাগাম ধরা যাচ্ছে না কোনো ভাবেই। লাফিয়ে-লাফিয়ে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখন ২০০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। একদিকে পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী হলেও অন্যদিকে বেশ কিছু পেঁয়াজ পঁচে নষ্টও হচ্ছে। যার স্থান হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভাগাড়ে।

কেউ কেউ বলছেন দাম বাড়াতে অতি মুনাফার লোভে গুদামজাত করায় পঁচে নষ্ট হচ্ছে অনেক পেঁয়াজ। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ পঁচা হওয়ায় তারা সেগুলো ফেলে দিচ্ছেন। এজন্য তাদের বিশাল লোকসান হচ্ছে।

পঁচা পেঁয়াজ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভাগাড়ে ফেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চসিকের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক সৈয়দ আহমদ সফা মাতব্বর। তিনি চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৪ ও ১৫ নভেম্বর) নগরীর পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে ১০ টনের অধিক পঁচা পেঁয়াজ সরাতে হয়েছে।

পঁচা পেঁয়াজের ছবি দেখে অনেকেই সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলছেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আরও বেশি মুনাফার লোভে খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজ গুদামে রাখা হয়েছিল। এটি পঁচনশীল দ্রব্য হওয়ায় তা পঁচে যাচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজ আড়ৎদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, ‘আমদানি করা পেঁয়াজ বোটে পানি লেগে নষ্ট হয়েছে। পঁচা পেঁয়াজ বিক্রি করার সুযোগ নেই। তাই আমদানিকারক নিজেই চসিকের ময়লার গাড়িতে তুলে দিচ্ছেন। গত দুই দিনে ১০ টনেরও অধিক নষ্ট পেঁয়াজ ফেলে দিতে হয়েছে।’

খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজ আড়ৎদার সমিতির সাবেক সভাপতি আফসার উদ্দিন বলেন, ‘টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় একটা অংশ পঁচা। যার কারণে আমদানিকারকদের বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’

এফএম /এসবি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

ManaratResponsive

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন
ksrm