চট্টগ্রাম সিটিতে ভোটের প্রস্তুতি নির্বাচন কমিশনের, আছে ঢাকাও

0

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বসছে নির্বাচন কমিশন। সঙ্গে রয়েছে ঢাকা উত্তর-দক্ষিণও। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ৫৩তম সভার আলোচ্যসূচিতে এই নির্বাচনগুলো রয়েছে।

তিন সিটিতে এক দিনে ভোট হবে, নাকি চট্টগ্রামে একদিন, ঢাকায় আলাদা দিনে ভোট হবে তাও আলোচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তিন সিটিতেই ইভিএমে ভোট করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে। ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল একসঙ্গে চট্টগ্রাম, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম সিটিতে প্রথম সভা হয় ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট। অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটিতে প্রথম সভা হয় ওই বছরের ১৪ মে এবং দক্ষিণ সিটিতে ১৭ মে। এ হিসেবে চট্টগ্রাম সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের জুলাইয়ে। ঢাকা উত্তরের ক্ষেত্রে এই মেয়াদ থাকছে ২০২০ সালের ১৩ মে পর্যন্ত; আর দক্ষিণে ওই বছরের ১৬ মে পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সায় রয়েছে। এখন ভোট করার বিষয়ে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্বিন্যাস, ভোটার তালিকা, মেয়াদোত্তীর্ণের আগের সময় পরীক্ষা সূচি সার্বিক প্রস্তুতির তথ্য উপস্থাপন করা হবে। সব পর্যালোচনা করে উপযুক্ত সময় বিবেচনা করবে ইসি।

আসছে জানুয়ারিতে হালনাগাদে নতুন ভোটারদের খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় নির্ধারিত রয়েছে। নতুনদের নিয়ে ভোট করতে গেলেও দেরি করতে হবে। সেক্ষেত্রে ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা, এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করবে কমিশন।

সিপি

ksrm