চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অবরুদ্ধ দুজনের বহিষ্কার দাবিতে

0

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতাকে কোপানোর মদতদাতা ভিএক্স গ্রুপের নেতা মিজানুর রহমান বিপুল ও প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয়কে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছে নবগঠিত তাপস স্মৃতি সংসদ।

রোববার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিষয়টি চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন তাপস স্মৃতি সংসদ প্রধান উপদেষ্টা রেজাউল হক রুবেল।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সংস্কৃত বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থী ও ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী তাপস সরকার স্মরণে ‘শহীদ তাপস স্মৃতি সংসদ’ গঠন করা হয় গত ২৪ নভেম্বর। তাপস খুনের ঘটনায় মিজানুর রহমান বিপুল ও প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয়ের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ভিএক্স গ্রুপের হামলার শিকার সুমন নাসির ওই সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা।

রেজাউল হক রুবেল বলেন, তাপসের খুনি মিজানুর রহমান বিপুল এবং প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয়সহ সুমন নাসির এবং আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান রাফির উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারসহ এ ঘটনায় মদদদাতা শিক্ষকের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ চলবে।

এর আগে রোববার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নং গেইট সংলগ্ন এগারো মাইল এলাকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের সিএফসি গ্রুপের দুই নেতাকে কুপিয়েছে ভিএক্স গ্রুপের নেতা-কর্মীরা। হামলার শিকার দুই নেতা হলেন সাবেক সহ-সভাপতি সুমন নাসির ও ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান রাফি।

হামলার শিকার ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান রাফি চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘আমরা হাটহাজারীর দিকে যাচ্ছিলাম। পথে ভিএক্স গ্রুপের নেতা মিজানুর রহমান বিপুল ও প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয়ের নেতৃত্বে মুখোশধারী বেশ কয়েকজন এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভিএক্স গ্রুপের নেতা মিজানুর রহমান বিপুল চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘এ ঘটনার সাথে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত আমরা তাদের বিচার চাই।’

তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের মারমুখী অবস্থানে ভিএক্স গ্রুপ ও সিএফসি গ্রুপ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ছোঁড়ে।

এসএ

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

আরও পড়ুন