চট্টগ্রামে ৩৭ প্রাপ্তবয়স্কের শরীরের হামের উপসর্গ, হাসপাতালে ৬ নারী
১৪ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ‘ইনফেকশাস ব্লক’
চট্টগ্রামে এবার প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরেরও হাম উপসর্গের দেখা মিলছে। এখনও পর্যন্ত ৩৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক রোগী হামের চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬ নারী। এছাড়া শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি আছে ১৪ জন। এর মধ্যে ১৪ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য জেনারেল হাসপাতালে করা হয়েছে ‘ইনফেকশাস ব্লক’।
বুধবার (১৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. এইচএম হামিদুল্লাহ মেহেদী।
হাসপাতালে ভর্তি ছয় নারীর মধ্যে সর্বশেষ ভর্তি হয়েছেন জান্নাতুল নামে ১৬ বছরের এক কিশোরী। জ্বরের দুইদিন পর তার মাথায় পুরো শরীর র্যাশ ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তথ্যমতে, এখনও পর্যন্ত এখানে ৩৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক রোগী হামের চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৬ জন নারী রোগী। একই সময়ে শিশু ওয়ার্ডেও ভর্তি রয়েছে ১৪ জন। শিশুদের জন্য পৃথক ওয়ার্ডের পাশাপাশি ১৪ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ‘ইনফেকশাস ব্লক’। সেখানে বর্তমানে ৪০ বছর বয়সী রোগীও চিকিৎসাধীন আছেন।
জান্নাতুলের বোন আযেশা জানান, জ্বরের সঙ্গে তার বোনের শরীরে যখন র্যাশ হয়, তখন শ্বাসকষ্টও শুরু হয়। এতো বেশি দুর্বল ছিল মাথা তুলতে পারতো না। বোনকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিয়ে গেলে কোনো চিকিৎসা পাইনি। পরে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।এখানে চিকিৎসা চলছে আমার বোনের।
ডা. মেহেদী বলেন, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৭ জন চিকিৎসা নিয়েছে। বর্তমানে ৬ জন নারী রোগী ভর্তি আছে হামের উপসর্গ নিয়ে। রোগদের অবস্থা সাসটেইনবল।
ডা. এইচএম হামিদুল্লাহ মেহেদী আরো বলেন, হাম সংক্রামক হওয়ায় দ্রুত অন্যদের মধ্য ছড়িয়ে পড়ে। বড়দের হাম হয়, এটা অনেকেরই অজানা। তাই জ্বর, কাশি, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, গায়ে র্যাশ থাকলে অতি দ্রুত হাসপাতালের শিফট হতে হবে।
আইএমই/ডিজে




